মেইন ম্যেনু

অনিয়মে জর্জরিত ভোলা সদর হাসপাতাল

নানা অনিয়মের জর্জরিত হয়ে পরছে ভোলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা। ডাক্তার, নার্স কর্মচারীদের খামখেয়ালীপনায় দিন দিন ভেঙ্গে পরছে ভোলার স্বাস্থ্য সেবা। চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীরা এক প্রকার জিম্মি হয়েই থাকেন তাদের কাছে। ডাক্তার আর নার্সদের সময় সুযোগ মত রুগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন।
রাতের ভোলা যখন নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে তার সাথে সাথে নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে এখানকার চিকিৎসা সেবা। ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারীরা তখন গভীর ঘুমে মগ্ন থাকেন। হাসপাতালে ভর্তি থাকা রুগীরা যখন বেডে শুয়ে যন্ত্রনায় কাতরাতে থাকেন তখন রুগীর অভিবাকরা রুগীকে সুস্থ্য করার জন্য ডাক্তার নার্সদের কাছে ছুটাছুটি করে চোখ রাঙ্গানি খেতে হয় তাদের। অসহায়ের মত তবুও তারা তাদের কাছে আকুতি জানায় চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য।

এমন চিত্র দেখা গেল বুধবার রাত ৪টার সময়। যখন পুরো ভোলায় ৭নং বিপদ সংকেত চলে উপকূলীয় ভোলার মানুষ রয়েছে আতঙ্কে প্রসাশনের পক্ষ থেকে নেয়া দূর্যোগ মোকাবিলার পস্তুুতি ও মেডিকেল টিম গঠন করার প্রস্তুতি চলছে তখন ভোলা সদর হাসপালে গিয়ে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। পুরো হাসপাতাল কোনো আলো নেই। নেই কোনো ডাক্তার, নার্স ও ওয়ার্ড বয়। এমনকি নৈস প্রহরীরও দেখা মেলেনি হাসপাতালে।
হাসপাতালের পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে গেলে প্রায় রুগীদের একই অভিযোগ রাতের বেলা সেলাইন ও ইঞ্জেকশন পুস করার জন্য নার্সদের খুজে পাওয়া যায়না। তারা তাদের ডিউটি রেখে ঘুমে বিভোর থাকেন।

হাসপাতালে রুগী নিয়ে আসা ভোলা সদরের শিশির অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবাকে সন্ধ্যায় হাসপাতালে এনে ভর্তি করার পর নার্স সেলাইন পুস করে রেখে যায়। রাতে যখন সেলাইনের পাইপ দিয়ে রক্ত উঠতে দেখে নার্সদের ডাকতে গিয়ে দেখি ডিউটি রুমে সবাই ঘুমায়। এমতাবস্থায় কয়েকবার ডাকতে ডাকতে একজন উঠে আসলেও তার আচরন ছিল মারমুখি।

একই অবস্থা দেখা গেল জরুরী বিভাগে গিয়েও। সেখানে গিয়ে দেখা যায় জরুরী বিভাগের ডাক্তার ও তার সহকারীরা মশারী টানিয়ে সবাই ঘুমিয়ে রয়েছেন।
হাসপাতালে ভর্তি থাকা রুগীরা অভিযোগ করে বলেন, এটা নতুন কিছুনা প্রতিদিনই রাতে ডিউটি থাকা ডাক্তার ও নার্সদের এ অবস্থা চলে। তাদের বেশী ডাকাডাকি করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এবং রোগীর সাথে অসোভনীয় আচরন করে। তাদের সাথে কথা বলাই যায়না। তবুও আমাদের এখানে আসতে হয় বিধায় আমরা কিছুই বলতে পারিনা।

এ ব্যপেোর ভোলা সদর হাসপাতালের পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা নার্স ফারজানা ফেরদাউস রোগী ও রোগীর সাথে থাকা লোকদের সাথে খারার আচরনের কথা অস্বীকার করে বলেন, আমার জানা মতে কোনো রুগী ও রোগীর লোকদের সাথে খারাপ আচরন করা হয় না। যদি আমার কোনো লোক এরকম আচরন করে থাকে আমি তার জন্য ক্ষমা প্রার্থী। আর সাড়া রাত জেগে থাকতে হয় তাই মাঝে মাঝে একটু ঘুমের ভাব এসে যায় মূলত কেউই ঘুমায়না। রোগীর কোনো সমস্যা থাকলে আমারা সাথে সাথে ছুটে আসি। আর আমাদের ভুল ত্রুটি হতে পারে আমরাওতো মানুষ।