মেইন ম্যেনু

অনিয়ম-সহিংসতার মধ্যদিয়ে ভোটগ্রহণ শেষ

ব্যালট পেপার ছিনতাই, কেন্দ্র দখল, গোলাগুলিসহ সহিংস ঘটনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। শনিবার সকাল ৮টায় শুরু হওয়া এ ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এখন চলছে ভোট গণনা।

চতুর্থ ধাপে ৪৭ জেলার ৮৮ উপজেলার ৭০৩ ইউনিয়ন পরিষদের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটের আগেই ক্ষমতাসীন দলেরহুইপ, এমপি ও প্রভারশালী নেতাদের আচরণবিধি লঙ্ঘনে উত্তপ্ত হয়ে উঠে নির্বাচনী এলাকা। বিধি লঙ্ঘনের দায়ে হুইপ ওএকাধিক সংসদ সদস্যকে বহিষ্কারের নির্দেশও দিয়েছে ইসি।

এরপরও ভোট গ্রহণের শুরু থেকে ব্যাপক অনিয়মের চিত্র পাওয়া যায়। এমনকি আগের রাতেই ব্যালট বাক্সে সিলমারা, ব্যালোট ছিনতাই ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া নির্বাচনী সহিংসতায় ২ জন নিহত ও অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ভোট কেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ছিনতাই, প্রভাব বিস্তারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে বেশ কয়েকটি জেলার প্রায় ৩০টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করে। জানায় ইসি সূত্র।

এদিকে বিভিন্ন জেলা থেকে পাঠানো সংবাদে দেখা যায়, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় মাধবপুর ইউনিয়নের চানলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের সামনে সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি কোপে নিহত হয়েছেন এক যুবক। সন্ত্রাসীদের হামলায় ওই কেন্দ্রের সামনে আহত হয়েছেন আরো ৬ ব্যক্তি।

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় শুভপুর ইউনিয়নের জগন্নাথ সোনাপুর বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ৪ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

মুন্সীগঞ্জের রামপাল ইউনিয়নের একটি ভোটকেন্দ্রে দুর্বৃত্তদের হামলায় পুলিশের এক এসআই ও আনসার সদস্য আহত হয়েছে। একই ইউনিয়েনের কাজীকসবা কেন্দ্রে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় পুলিশ ১২ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

চতুর্থ ধাপের এ ভোটে ৩ হাজার ২৪৫ প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৭ হাজার ১৫৯ জন, সাধারণ সদস্য পদে ২৪ হাজার ১৮৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১৪টি রাজনৈতিক দল এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।

ইতোমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ৩৩ জন নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৯৮ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ২৮৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ ধাপে মোট ভোটার সংখ্যা ১ কোটি ১০ লাখ।