মেইন ম্যেনু

অনুপ ও নূরের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে বিএনপি

উলফা নেতা অনুপ চেটিয়াকে ভারতের কাছে হস্তান্তর এবং নারায়ণগঞ্জের সাতখুনের মামলার অন্যতম আসামি নূর হোসেনকে ফেরত আনার বিষয়টি বিএনপি এখনও পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ পর্যবেক্ষণের কথা জানান।

যদিও এ নিয়ে সকালে দলের ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ব্যক্তিগতভাবে বক্তব্য দিয়েছেন। তবে দলটির মুখপাত্রের দায়িত্বে থাকা রিপন সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘এ সম্পর্কে আজ বলবো না। সিনিয়র নেতারা যেভাবে অভিমত দেবেন, পরে তাদের কথা মতো সেভাবে জানানো হবে।’

আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে রিপন বলেন, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষে ৩০টি আসন পাওয়া দুস্কর হবে। সেজন্য তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনকে এড়িয়ে যেতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি মনে করে, সরকার প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনকে এড়িয়ে একদলীয় শাসন ব্যবস্থার বিনাশী পথে অগ্রসর হচ্ছে।’

সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের অত্যাচারে দেশবাসী অতিষ্ট হয়ে পড়েছে দাবি করে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দুর্নীতি ও দুঃশাসন। শাসকদল যে জনগণ থেকে ক্রমাগতভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, বিষয়টি তারা উপলব্ধি করতে পারছে। যে কারণে তারা একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনেরকে ভীতির চোখেই দেখছে।’

রিপন বলেন, ‘শুধু গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য বিনা ভোটের সরকারের সঙ্গে বিএনপি-নাগরিক সমাজ সংলাপে বসার আগ্রহ দেখিয়েছিল। ভবিষ্যতের সঙ্কটকে এড়ানো এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থকে বিবেচনা করে এ প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকার সেই প্রস্তাব শুধু আগ্রহ্যই করেনি, এর মধ্য দিয়ে তারা নিজেরও ঠকিয়েছে; যা ভবিষ্যতে প্রমাণিত হবে।’

বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রী বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তার সমালোচনা করে রিপন বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য কুরুচিপূর্ণ এবং অরাজনৈতিক।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সভানেত্রী তার চিরায়ত অভ্যাসে অভ্যস্ত মন্তব্যে তার দল বিব্রত হয় কী না জানি না, তবে দেশের মানুষ রাজনীতির নামে এ জাতীয় বক্তব্যে খুবই অস্বস্তির মধ্যে পড়ে।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে চৌধুরী ইবনে ইউসুফ, ফজলুল হক মিলন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, আবদুল লতিফ জনি, শামীমুর রহমান শামীম, শিরিন সুলতানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।