মেইন ম্যেনু

‘অন্তরঙ্গ’র পোস্টারে চাষী নজরুল ইসলাম

৬ নভেম্বর মুক্তি পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রখ্যাত নির্মাতা চাষী নজরুলের ইসলামের পরিচালনায় শেষ ছবি‘অন্তরঙ্গ’। ‘নিজের পরিচালিত সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে, অথচ তিনিই নেই’-এমন কথা যিনি চিন্তা করবেন, তিনি সম্ভবত শতভাগই ভুলের রাজ্যে বসবাস করছেন। কারণ সারা দেশের আনাচে কানাচে পৌঁছে যাওয়া ‘অন্তরঙ্গ’র হাজারো পোস্টারে যে তিনি দিব্যি আছেন! চেয়ে চেয়ে দেখছেন তার শেষ ছবির শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি!

বাংলাদেশের সিনেমা হলগুলোতে চলতে শুরু করবে বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘অন্তরঙ্গ’। টিজার, ট্রেলার, অডিও-ভিডিও গান আর ছবির কলাকূশলীদের ভিন্ন ভিন্ন প্রমোশনে ‘অন্তরঙ্গ’ সম্পর্কে ইতিমধ্যে সকলেই জেনেও ফেলেছেন প্রখ্যাত নির্মাতা চাষি নজরুল ইসলামের শেষ ছবি ‘অন্তরঙ্গ’-এর কথা। ঢাকাসহ বাংলাদেশের অন্যান্য শহর নগরে আর মফস্বলের সিনেমা গুলোতে মানুষ দেখবে চাষির হাতে গড়া ‘অন্তরঙ্গ’।

শারীরিক উপস্থিতি হয়তো ‘অন্তরঙ্গ’ মুক্তির সময় নেই, কিন্তু পুরো ছবিতেতো আসলে না থেকেও তারই পরশ থাকবে। বলা যায়, ‘অন্তরঙ্গ’ মুক্তির সময়ে না থেকেও আছেন নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম।

মুক্তির প্রতীক্ষায় থাকা ‘অন্তরঙ্গ’ ছবিতে চাষী নজরুল ইসলামের হাত ধরে বাংলা চলচ্চিত্রে পা রাখেন অভিনেত্রী আলিশা প্রধান। তার বিপরীতে ছবিতে অভিনয় করছেন এই সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ইমন। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে ছবিটির মহরত হয়। সেদিন থেকেই শুটিংও শুরু। কয়েক ধাপে ছবিটির শুটিং চলে।

সিনেমার কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি পৃথিবী থেকে বিদায় নেন চাষী নজরুল ইসলাম। প্রায় তিন-চার ভাগ বাদ ছিল। পরে তার অ্যাসিসট্যান্টদের সঙ্গে কথা বলে ছবিটি নিজ উদ্যোগে শেষ করেছেন আলিশা প্রধান।

উল্লেখ্য, ১৯৬১ সালে ফতেহ লোহানীর ‘আছিয়া’ সিনেমার সহকারী পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্রে আসেন চাষী নজরুল ইসলাম। এরপর পরিচালক ওয়াহেদ-উল-হকের সঙ্গেও বেশ কিছু দিন সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’ পরিচালনা করেন ১৯৭২ সালে। ছবিটি ব্যাপক প্রশংসা পায়।এরপর ‘সংগ্রাম’, ‘ভালো মানুষ’, ‘বাজিমাত’, ‘বেহুলা লক্ষিন্দর’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা, ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’, ‘হাসন রাজা’, ‘মেঘের পরে মেঘ’, ‘শাস্তি’ ও ‘সুভা’র মতো সিনেমা নির্মাণ করেছেন তিনি।