মেইন ম্যেনু

অন্তরঙ্গ দৃশ্যে খোলামেলা টলি-সুন্দরী শ্রীলেখা

টলিউডের অন্যতম হট অভিনেত্রী শ্রীলেখার অনুরাগী সংখ্যা অগণিত৷তাঁর অসাধারণ সৌন্দর্য এবং আবেদনে তিনি বরাবরই সমসাময়িকদের থেকে এগিয়ে থেকেছেন৷কিন্তু অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয়ের ক্ষেত্রে তিনি ততটা খোলামেলা হননি৷কিংবা বলা ভালো সম্পূর্ণ খোলামেলা কোনও দৃশ্যে তিনি এখনও পর্যন্ত অভিনয় করেননি৷আজ তাঁরই অভিনীত ৬টি ছবির অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে আলোচনা করা যাক৷

উড়ো চিঠি: 
অতনু ঘোষ পরিচালিত এই ছবিতে ইন্দ্রনীল সেনগুপ্তের বিপরীতে তাঁর স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শ্রীলেখা মিত্র৷২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিতে শ্রীলেখা এবং ইন্দ্রনীলের একটি শয্যাদৃশ্য ছিল৷সেখানে হলুদ আলোয় নায়কের সঙ্গে একটি শর্ট ড্রেসে অভিনয় করেছিলেন শ্রীলেখা৷

আশ্চর্য প্রদীপ: 
এই ছবিটিকে তাঁর ঘনিষ্ঠ দৃশ্য সম্বলিত সিনেমা বলা চলে না৷কারণ এখানে শেষের কিছু আগের একটি দৃ্শ্যে একটি ফিনফিনে পাতলা স্বচ্ছ শাড়িতে দেখা গিয়েছিল৷চরিত্রের প্রয়োজনে এই দৃশ্যে পোশাকটি অবশ্যম্ভাবী ছিল৷কারণ সেখানে তিনি ছিলেন এক দেহব্যবসায়ী৷

এক মুঠো ছবি: 
এক মুঠো ছবির অন্তর্গত অর্ঘকমল মিত্র পরিচালিত ‘জন্মদিন’ ছবিটিতে রজতাভ দত্ত ও শ্রীলেখা মিত্র অভিনয় করেছিলেন৷এই দুজনের একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ছিল ছবিতে৷এছাড়াও এই জুটি একাধিক রোমান্টিক এবং হট দৃশ্যে অভিনয় করেছেন৷

হ্যালো কলকাতা ও স্মৃতিমেদুর: 
২০০৮ ও ০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অভিনেতা ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তীর সঙ্গে জুটি বেঁধে পর পর দুটি ছবিতে কাজ করেছিলেন শ্রীলেখা৷দুটিতেই ইন্দ্রজিতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করেছিলেন তিনি৷যদিও ছবি দুটি বাণিজ্যিক সাফল্য পায়নি৷

টক মিষ্টি জীবন: 
২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিকে দ্বিতীয় নায়ক-নায়িকা জুটি হিসেবে অভিনয় করেছিলেন রণিত রায় ও শ্রীলেখা মিত্র৷দুজনেরই কিছু ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে তিনি অভিনয় করেছিলেন এঁরা৷

কাঁটাতার: 
বাপ্পাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত ‘কাঁটাতার’ ছবিতে শ্রীলেখা মিত্র অসাধারণ অভিনয় করেছিলেন৷সেখানে সহঅভিনেতার সঙ্গে অত্যন্ত অন্তরঙ্গ এক চুমুর দৃ্শ্যে দারুণ গভীর অভিনয় করেছিলেন অভিনেত্রী৷ছবিটি বিভিন্ন আন্তর্জাতির চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত এবং পুরস্কৃত হয়েছিল৷