মেইন ম্যেনু

অন্তরঙ্গ দৃশ্যে টালিউডের আলোচিত ১০ সিনেমা

একটা সময় ছিল টালিউডের উত্তম কুমার ও সুচিত্রা সেনের জুটি নিয়ে পাগল ছিল বাঙালি। এখনো সেই নস্টালজিয়াটা রয়ে গেছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধাপে ধাপে ক্রমপরিবর্তন হয়েছে বাংলা চলচ্চিত্রের। অনেক সাহসী ও সাবলীল হয়েছে বাংলা সিনেমা।

কলকাতার বাংলা সিনেমায় ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের ক্ষেত্রে এখন আর কোনো রাখঢাক নেই যেন। শয্যা দৃশ্য হোক বা চুম্বন, অন্তরঙ্গ দৃশ্য হোক বা নগ্নতা, এখনকার অভিনয়শিল্পীরা সবকিছুই সাবলীলভাবে সামলে নেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে এই ধরনের দৃশ্য ব্যবহার অপ্রয়োজনীয় হয়। শিল্পের নামে অযথাই দর্শকদের যৌন সুড়সুড়ি দিতে তৈরি করা হয় কিছু সিনেমা। জেনে নিন টালিউডের এমনই কিছু সিনেমা।

ছত্রাক: ২০১১ সালের ভারতীয় বাংলা ড্রামা ছত্রাক। এই সিনেমাটি বাংলার পাশাপাশি ইংরেজিতেও ডাবিং হয়। এই সিনেমায় পাওলি দামের একটি ওরাল সেক্স দৃশ্য এমএমএস আকারে ফাঁস হওয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

বেডরুম: ২০১২ সালে তৈরি হয় সিনেমাটি। পরিচালক মৈনাক ভৌমিক। সিনেমাটিতে আবির চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, উষসী, পার্নো মিত্র, পাওলি দাম, রাহুল, তনুশ্রী, অনুব্রত প্রমুখ অভিনয় করেছেন।

বিবর: ২০০৬ সালে তৈরি হয় সিনেমাটি। এতে অভিনয় করেছেন তন্নিষ্ঠা চ্যাটার্জি ও সুব্রত দত্ত।

গাণ্ডু: ২০১০ সালে সিনেমাটি মুক্তি পায়। সিনেমাটির কনসেপ্ট সাদা-কালো। এতে অভিনয় করেছেন রি ও অনুব্রত। যৌনতা, নগ্নতা কী নেই এই সিনেমায়। এই সিনেমা নিয়ে তৈরি হয়েছিল বিতর্কও।

আমি ও আমার গার্লফ্রেন্ডস: ২০১৩ সালে মুক্তি পায় সিনেমাটি। এটিও মৈনাক ভৌমিকের নির্দেশনায় তৈরি। রাইমা সেন, স্বস্তিকা মুখার্জি, পার্নো মিত্র, বিক্রম চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত বসু ও বিশ্বনাথ বসু অভিনয় করেছেন।

ও হেনরি: ২০১৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল এই সিনেমা। এতে অভিনয় করেছেন লকেট চক্রবর্তী।

নাগরদোলা: ২০০৫ সালে এই সিনেমাটি তৈরি হয়। এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন রূপা গাঙ্গুলী।

কসমিক সেক্স: ২০১৪ সালে এই সিনেমাটি মুক্তি পায়। নামেই বোঝা যাচ্ছে সিনেমার বিষয়বস্তু। এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন রি।

অন্তরমহল: ২০০৫ সালে মুক্তি পায় ঋতুপর্ণ ঘোষের এই সিনেমাটি। এতে অভিনয় করেন সোহা আলি খান, জ্যাকি শ্রফ, অভিষেক বচ্চন, রূপা গাঙ্গুলী প্রমুখ।

তৃষ্ণা: ২০০৯ সালে সিনেমাটি মুক্তি পায়। পরিচালনা করেছেন প্রীতম জালান। এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এবং অংশুমান গুপ্ত।