মেইন ম্যেনু

অপহরনের ৭দিনেও উদ্ধার হয়নি আলমগীর, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনায়

উখিয়ার বানিজ্যিক ষ্টেশন কোটবাজার থেকে দিনদুপুরে অপহরনের শিকার হওয়া মোঃ আলমগীর (১৭) কে এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ, অপহরনকারীরা বারবার মুক্তিপন চেয়ে মুটোফোনে অনাবরত হুমকি প্রদর্শন করে আসছে, এদিকে অপহরনে ৭দিনেও আলমগীর উদ্ধার না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা এক অজানা আতংকে রয়েছেন। তারা ধারনা করা হচ্ছে অপহরনকারীরা পরিচিত হওয়ার ফলে তাকে প্রাণে মেরে লাশ গুম করে দেওয়া হয়েছে।

থানায় দায়ের করা অভিযোগসুত্রে জানাযায় উখিয়া হলদিয়া পালং ইউনিয়ন রুমঁখা পশ্চিম বড়বিল ছৈয়দ আহমদের পুত্র মোঃ আলমগীরকে গত ১১ই অক্টোবর বিকালে এলাকার একটি অপহরনকারী সেন্ডিকেট তাকে অপহরন করে নিয়ে যায়, অপহরন করার পর তার বড়ভাইকে ফোন করে জানানো হয় তার ভাইকে ফেরত পেতে হলে ১ লক্ষ টাকা দিতে হবে, না হয় আলমগীরকে মেরে ফেলা হবে।

অপহরন কারীদের ফোন পেয়ে পাগলের ন্যায় ছুটে যান উখিয়া থানায়। সেখানে একটি সাধারন ডায়েরী লিপিবদ্ধ করেন যার নং ৬৪২, এদিকে অপহরনকারীরা তাদের বিরোদ্ধে থানায় ডায়েরী করা হয়েছে মর্মে সংবাদ পেলে তারা আলমগীরের উপরে নির্যাতন চালাতে থাকে এবং মুক্তিপনের টাকা বৃদ্ধি করে ২ লক্ষ টাকা দাবি করে আসলে অপহৃত আলমগীরের পিতা ছৈয়দ আহমদ বাদী হয়ে গত ১৪/১০/২০১৫ তারিখে কবির আহমদের পুত্র কামাল উদ্দিন, আহাম্মদ কবিরের ছেলে শাহাদাৎ হোসেন মিটু, আবুল হসেমের পুত্র ইলিয়াস ও ফারুক আহামদ প্রকাশ ফরু খলিবার ছেলে মোঃ আতিককে আসামী করে উখিয়া থানায় একটি অপহরনের মামলা দায়ের করেন।

এদিকে মামলা দায়ের করায় আলমগীরের পিতা, ভাইসহ পরিবারের সদস্যদেরকে হুমকি দিয়ে আসছে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে অপহৃতার বড় ভাই মোঃ সেলিম বলেন আমার ছোট ভাই আলমগীর দীর্ঘদিন যাবত চট্টগ্রামে ফর্নিচারের মিস্ত্রী হিসেবে কাজ করে আসছে, গত কোরবানীর ঈদের সময় বাড়িতে বেড়াতে এসে বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ায় তার চট্টগ্রাম ফিরে যাওয়ার একটু বিলম্ব হয় এর মধ্য অপহরনকারীরা তাকে অপহরন করে নিয়ে যায়।

আমার পিতা তাদের বিরোদ্ধে মামলা করায় ১নং আসামী কামাল উদ্দিন ও ২নং আসামী শাহাদাৎ হোসেন মিটু হুমকী দিয়ে আসছে। অভিলম্বে অপহরনের শিকার মোঃ আলমগীরকে উদ্ধার পূর্বক অপহরনকারী সেন্ডিকেটের সদস্যদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি প্রদানের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন আলমগীরের পিতা মাতা।