মেইন ম্যেনু

‘অপারেশন প্রোটেকটিভ’ মুসলিম হত্যার কুখ্যাত অপারেশনের নাম

অপারেশন প্রোটেকটিভ এ্যাজ হচ্ছে গত বছর গাজায় চালানো ইসরাইল কর্তৃক মুসলিম হত্যার একটি কুখ্যাত অপারেশনের নাম। ৮ জুলাই থেকে ২৬ আগষ্ট পর্যন্ত প্রায় ৪৯ দিন গাজায় এই অপারেশন চালানো হয়। এই অপারেশনে ইসরাইল প্রায় ১,৭৬৫০০ জন সেনা অংশ নেয় এবং পাশাপাশি বিমানবাহিনী এবং নৌবাহিনী অংশ নেয়। যুদ্ধে ২২০৩+ গাজার বেসামরিক লোক নিহত এবং ১০৬২৬+ জন লোক আহত হয়।

অপর দিকে ইজরাইলী ৬৬ জন সেনা এবং ৬ বেসামরিক লোক নিহত এবং ৪৬৯ জন সেনা আহত হয়। যুদ্ধের কারণ বলতে চাইলে, হিরো এবং ভিলেন দুটোই ইসরাইল। যুদ্ধের হোতা তারা নিজেরাই সৃষ্টি করে। ইজরাইল তার সমস্ত কাজকে বৈধতা দেয়ার জন্য কথার খেলা খেলে। ভুল তথ্য দিয়ে সকল অপরাধের ন্যায্যতার খোলস পরায়। যেমন মৃত তিন জন ইসরাইলি তরুনের ভিডিও চিত্র।

যেগুলা সমস্ত দুনিয়ার মিডিয়াতে দেখা গেছে। এটা স্পষ্টত পরিকল্পনা মাফিক সরবরাহ করা। যুদ্ধের মুল কারণ ছিল এটাই। অথচ বাস্তবিক ক্ষেত্রে তা কিছুই হয় নাই। তিন তরুন কেন, তিনটা কুকুরকে হত্যা করে নি গাজাবাসী।যখন স্থল অভিযান চালাচ্ছিল, তখন সুর পাল্টিয়ে বলছে,আমরা হামাসের গোপন সুড়ংগ গুলো ধব্বংসের জন্য অভিযান পরিচালনা করছি।বাস্তবে তারা হামাসের ১টা চুলও ছিড়তে পারে নি।

সব গুলো ছিল তাদের সাজানো নাটক। এই যুদ্ধের প্রধান মদদ দাতা হচ্ছে দলালির ব্রান্ড আমেরিকা, ইইউ এবং সৌদি তথা আরব জোট। যেখানে আমেরিকা, ইউরোপিয়ান দেশ গুলো ১ জন খ্রিষ্টান বা ইহুদি হত্যা করা হলে, মানবতা কোথায় গেল বলে চিৎকার করতে থাকে, যখন গাজায় বাংলা লিংক দামে হাজার হাজার লোক কে হত্যা করা হচ্ছিল,তাদের মানবতার স্লোগান তখন কোথায় গেল।

আমাদের দেশে যখন ১ জন বিশ্বজিৎ হত্যা করা হয়, তখন মানবতার ডিলার জাতিসংঘ মানবতা সরবরাহ করে।কিন্তু গাজায় যখন হাজার হাজার নিরহ মুসলিম হত্যা করা হচ্ছিল,আমেরিকা বা তার মিত্ররা বলছিল এটা হত্যা না এটা আত্মরক্ষা।

জাতিসংঘ, সৌদি আরব,তথা পুরো বিশ্ব তখন নিশ্চুপ।সারা বিশ্বে শুধু ইরান তখন হামাস কে অস্ত্র দিয়ে সহয়তা করে। তখন বাকি রাষ্ট্র প্রধান রা শোক জানানোয় বাস্ত। আরে শোক’ত আমিও জানাতে পারি,।শুধু তাদের শোক আর আমার শোকের মধ্যে একটাই পার্থক্য।সেটা হচ্ছে তাদের শোকটা মিডিয়ায় দেখানো হয়, এবং আমার শোকটা মিডয়ায় দেখানো হয় না। F-15,F-16 বিমান যখন গাজায় টন টন বোমা ফেলছিল, ইহুদিরা কি হ্যাপি না’ই হচ্ছিল। আসলে ইহুদি দের আমার মানুষ বলতেই ঘৃন্য হয়।কেন জানেন!!!!!।

গাজার নিকটবর্তী ইজরাইলী সীমানায় ১টা পর্বত আছে। গাজায় যখন বিমান হামলা চলছিল,তখন ঐ পর্বতে কিছু লোককে হাতে দূরবীক্ষণ যন্ত্র নিয়ে সোফায় এবং চিয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়। তখন তাদের জিজ্ঞাস করা হল,কেন আপনারা এভাবে এখানে বসে থাকছেন?।

উত্তরে ইহুদির বাচ্চারা বলল, আমরা মুসলিম হত্যা তথা বিমান হামলা উপভোগ করতেছি। এবার চিন্তা করুন তারা কত বড় অমানুষ?।তাদের গ্রাউন্ড ফোর্স কে আদেশ দিয়া হয়েছিল,গাজায় যদি একটি পিপড়া সামনে পড়ে,সাথে সাথে গুলি করতে। তাছাড়া ইসরাইল গাজায় যেসব বোমা ব্যাবহার করেছ, বোমা গুলোর ফলাফল ছিল মারাত্মক।

অবশ্য ইসরাইল বিরুদ্ধে গাজায় জিবাণু বোমা ব্যাবহারের অভিযোগ উঠেছে। ইসরাইল গাজায় ইউরোনিয়াম প্লেটের তৈরী এক ধরনের গাইডেড বোমা ব্যাবহার করে।হাজার টা সুই ১ সাথে শরীরে ফুটিয়ে দিলে যে রকম কষ্ট হবে এই বোমার আঘাতে তার চেয়ে বেশি কষ্ট হবে।এই বোমায় যারা আঘাত প্রপ্ত হয়েছে তার বেশির ভাগ শিশু।তাছাড়া অনেক বিশ্লেষকের মতে গাজায় ক্যান্সার, বা বিভিন্ন জটিল রোগ বেড়ে গেছে। আর আমার মনে হয় বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক জন মানসিক রোগী। সে কি বলছে জানেন?!!!!! এই প্রটেক্টিভ এজ অপারেশন চালনা করার পর থেকে এবং ইরান এর ক্রমবর্ধমান শক্তি

বৃদ্ধিতে আজ ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী পাগল প্রায় বলা চলে কারন একদিকে তার উদ্ভট সব বক্তব্য অন্য দিকে তার দেশের গোয়েন্দা সংস্থা ও অন্যান্য মন্ত্রিদের বক্তব্য ভিন্ন। একদিকে এই ব্যক্তি বলে ইরান পারমাণবিক বোমা বানানোর দ্বারপ্রান্তে তো মোসাদ এর রিপোর্ট এ দেখা যায় আগামী ১০ বছরেও ইরানের কোন পারমানবিক বোমা বানানোর রিসর্স নেই।

আবার নুতুন করে শুরু হয়েছে তার নুতুন পাগলামু “বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এর দাবি যে ফিলিস্তিন ই নাকি এডলফ হিটলাকে পরামর্শ দিয়েছিলো যে ইহুদী নিধন ও এদের পুড়িয়ে মেরে ফেলার, অথচ ইসরাইলী যুদ্ধমন্ত্রি মসে ইয়ালুন তা প্রত্যাখ্যান করে বলেছে যে নেতানিয়াহু ভূল বলেছে,,অপরদিকে তেল-আবিব বিশ্ববিদ্যালয় এর এক প্রফেসার ও বলেন যে নেতানিয়াহু এর ধারণা ভূল ও মিথ্যা। এমন নানান বক্তব্য থেকেই বোঝা যায় যে ইরান,ফিলিস্তিন,সিরিয়া নিয়ে নেতানিয়াহু কতটা উদ্বেগ এর মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

soel