মেইন ম্যেনু

অফিসের পরিচয়ে ফের বিকাশে প্রতারনা

মোহাম্মদ মানিক হোসেন, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) থেকে: দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় কয়েক জন বিকাশ ব্যবসায়িক কে অফিসের নাম্বার দিয়ে ফোন করে আনুমানিক ২ লক্ষ টাকা প্রতারনার স্বীকার হয়েছেন বিকাশ এজেন্টরা।

সুত্রে জানা গেছে গত মঙ্গলবার চিরিরবন্দর উপজেলার প্রায় সব দোকানে সকাল ১০ টায় বিকাশ অফিস এজেন্ট নাম্বার হ্যাক করে সেই একই নাম্বার থেকে এক এক করে ফোন আসে , বলা হয় আজকে থেকে এই নতুন নাম্বারে আপনারা টাকা ক্যাশ(বি টু বি) করবেন।

বিকাশ ব্যবসকায়ি রা অফিসের নাম্বার দেখে সবাই ওই নতুন নাম্বারে ক্যাশ করতে থাকে। রানীরবন্দরের এক বিকাশ ব্যবসায়িক, নম্বর বদলানোর কথা শুনে বিকাশের চিরিরবন্দর উপজেলার এরিয়া জোন মো: মোখলেছুর রহমান কে ফোন দেয়, তিনি বলেন না আমি নাম্বার বদলানোর কথা কাউকে বলি নি, এ কথা শুনে বিকাশ ব্যবসায়িক মো:আরিফ হেসেন এরিয়া জোন কে নতুন নাম্বারে টাকা না দেওয়ার জন্য সবাই অবগত করার কথা বলেন, কিন্তু এরিয়া জোন মো: মোখলেছুর রহমান কাউ কে বিষায় টি জানায় নি , এ দিকে না জানানোর কারনে নতুন নাম্বারে কয়েকজন বিকাশ ব্যবসায়িক টাকা পাঠিয়ে দেয়।

এরিয়া জোন মো: মোখলেছুর রহমানের সাথে মুঠো ফোনে (০১৭৫১৭৯০০১২) কথা বললে তিনি আমাদেরকে জানায় আমার ওই এজেন্ট নাম্বারে তখন অনেক ফোন আসছিলো বিভিন্ন নাম্বার থেকে ফোন দিয়ে আমার নম্বারটি তারা ব্যস্ত রাখে তাই কথা বলতে পারে নি ।

কিন্তু দোকান দার দের দাবী ওনি যদি ফোনটা ওই সময়ে বন্ধ করে রাখতো তাহলে এজেন্ট নম্বরটি হ্যাক করে আমাদেরকে ওই নাম্বার থেকে ফোন দিয়ে নতুন নম্বরে টাকা দেওয়ার কথা বলতে পারতো না । বিকাশ ব্যবসকায়িক দের ধারনা বিকাশের কোন কর্মকর্তায় আমাদেরকে প্রতারিত করছে।

তারা বলেন, দোকানে এসে টাকা ক্যাশ দিয়ে যদি(বি টু বি) নিতেন তাহলে আমাদের আজ প্রতারিত হতে হত না । এ ঘটনায় বিকাশ ব্যবসাকায়িক দের বিকাশের ম্যানেজম্যান্ট কে দায়ী করছে।