মেইন ম্যেনু

অবশেষে দেশে ফিরছে ১৫০ বাংলাদেশি

সাগরে ভাসমান অবস্থায় মিয়ানমারের জলসীমা থেকে উদ্ধার হওয়া ২০৮ অভিবাসীর মধ্যে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত ১৫০ বাংলাদেশি নাগরিক ১৭ দিন সে দেশে অবস্থানের পর অবশেষে দেশে ফিরছে। তাদের আনতে যাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) একটি প্রতিনিধি দল।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশের ঘুমধুম ও মিয়ানমারের ঢেকিবনিয়া সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) এক পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ১৫০ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত আনা হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজিবি কক্সবাজার সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. খালেকুজ্জামান।

তিনি জানান, গত ২১ মে সাগরে ভাসমান অবস্থায় থাকা ২০৮ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করে মিয়ানমারের নৌবাহিনী। উদ্ধার হওয়ার পর মিয়ানমারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় এদের মধ্যে ২০০ জন বাংলাদেশি রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তার নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল গত ২৪ মে মিয়ানমার যাওয়ার কথা ছিল।

এ প্রতিনিধি দলের মিয়ানমার যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশি রয়েছে কিনা তা যাচাই-বাছাই করার। কিন্তু মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের দেশে ফেরত নিতে হবে দাবি করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল মিয়ানমার যাওয়া স্থগিত করে এবং উদ্ধার হওয়াদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা চেয়ে মায়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে চিঠি পাঠায়। কিন্তু ওইদিন কর্তৃপক্ষ যে তালিকা পাঠায় তা ছিল বিভ্রান্তিকর ও অপূর্ণাঙ্গ। ওই তালিকাটি সে দিনই বিজিবির সদর দপ্তর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় এবং পূর্ণাঙ্গ তালিকা চেয়ে মায়ানমারের কাছে আরেকটি চিঠি পাঠায় বিজিবি।

বিজিবির এ কর্মকর্তা আরও জানান, সম্প্রতি মিয়ানমারের পক্ষ থেকে ২০০ জনের একটি তালিকা পাঠানো হয়। তালিকাটি যাচাই-বাছাই করে ১৫০ জনকে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

অন্যদিকে ২৯ মে মিয়ানমার নৌবাহিনী আরও ৭২৭ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করে। এদের মধ্যেও বাংলাদেশি রয়েছে বলে দাবি করছে ।

এ বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ও মায়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২২ মে শুক্রবার মিয়ানমারের নৌবাহিনী দেশটির পশ্চিম উপকূল থেকে ২০৮ জন অভিবাসীসহ সাগরে ভাসমান দুইটি মাছ ধরা ট্রলার উদ্ধার করে। পরে উদ্ধারকৃতদের বাংলাদেশি অভিবাসী বলে দাবি করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভবনের পরিচালক জাও হতাই।



« (পূর্বের সংবাদ)