মেইন ম্যেনু

ফলো আপ :

অবশেষে পুলিশের খাঁচায় বন্দি হলো সেই আলোচিত গাঁজা বিক্রেতা আনছার আলী

অবশেষে পুলিশের খাচায় বন্দি হলো সাতক্ষীরা সদর থানার পাথরঘাটা গ্রামের আনছার আলী সে ঐ গ্রামের মৃত বাবর আলী সরদারের পুত্র এবং মৃত আজিবার মাষ্টারের ছোট পুত্র মনিরুল ইসলামের হত্যা প্রচেষ্টা মামলার প্রধান আসামী।

গত ১০ মে বিকালে আনছার আলীর পুত্র আল আমীনকে মনিরুল তার বাড়ির পার্শ্বে আম বাগানে গাঁজা বিক্রী ও সেবন বন্ধ করতে বারন করে। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে মনিরুলের উপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে মনিরুল তাকে একটি থাপ্পর মারে। ঘটনাটি আল আমীন তার পিতাকে জানায়। এ কথা শুনে নিয়মিত গাঁজাসেবী ও বিক্রেতা আনছার আলী গত ১২ মে মনিরুলের পুত্র কামরুজ্জামান চঞ্চলকে একই গ্রামের একরামুল মুহুরীর বাড়ির পার্শ্বে একা পেয়ে লোহার শাবল ও লাঠি সোটা দিয়ে পিটাতে থাকে।

এ খবর শুনে মনিরুল বাড়ি থেকে ঘনটাস্থলে ছুটে যায়। ঘনটাস্থলে যাওয়ার সাথে সাথেই আনছার আলীর পুত্র আল আমীন অতর্কীত মনির উপর হামলা চালাই।আনছার আলীও এতে যোগ দেয়। তারা বাপ বেটা মিলে মনিরুলকে নির্দয় ভাবে পিটাতে থকে। এত মনিরুল মারাতœক ভাবে আহত হয়। তাকে সাতক্ষীরা সদর হাবপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ব্যাপারে মনিরুলের বড় ভাই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় আনছার আলী ও তার পুত্র আল আমীন কে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং -২১ তাং ১৬-০৫-২০১৫,ধারা-১৪৩,৩২৩,৩২৪,৩২৫,৩২৬,৩২৭,৩৭৯ ও ৫০৬।

মামলা দায়ের করার পর পুলিশ বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করতে ব্যর্থ হয়। অবশেষে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পাথরঘাটাস্থ তার বাড়ি থেকে আটক করে। আসামীকে পুুলিশ জেল হাজতে চালান দেওয়ার ব্যাপারে টাল বাহনা করছেন বলে মনিরুল আওয়ার নিউজকে জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে ঐ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস,আই ওহিদুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান,মামলাটির এখনও পর্যন্ত চার্জশীট দেওয়া হয়নি। সে কারনে কোর্ট আসামী নিতে চাচ্ছে না। তবে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষ কি করেন সেটা দেখতে হবে। মামলার চার্জশীট দেওয়া হয়নি তাহলে কেন আসমীকে ধরে আনলেন জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদকের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণ করেন। মামলার অপর আসামী আনছারের পুত্র আল আমিন কে পুলিশ আটক করতে পারেনি।

ঐ রাতে পুলিশ একই গ্রামের বাবর আলী পুত্র আরিজুল ও ঝাউডাঙ্গা গ্রাম অপর এক গাঁজা বিক্রেতাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে আরিজুল ইসলাম জামিন প্রাপ্ত আসামী থাকায় তাকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।আনছার ও অপর গাঁজা বিক্রেতাকে কোর্টের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য যে আনছার আলী একজন দাগী আসামী বিভিন্ন অপকর্মের জন্য সে এর আগে সকয়েকবার জেল খেটেছে। এবং তার মায়ের দায়ের করা একটি মামলায় জামিন প্রাপ্ত আসামী। তার গ্রেফতারে এলাকার মানুষের মনে স্বস্তি এসেছে।

আরো পড়ুন :

হত্যা প্রচেষ্টার আসমীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালে ও গ্রেফতার করছে না পুলিশ