মেইন ম্যেনু

অবশেষে সেই বীথির পাশে দাঁড়ালেন চিকিৎসকরা

দুরারোগে আক্রান্ত কিশোরী বিথির চিকিৎসার জন্য এলাকার (টাঙ্গাইল নাগরপুরের জয়ভোগ) মানুষের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ধার নিয়েই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে আসেন বাবা আব্দুর রাজ্জাক। কিন্তু কয়েকদিনেই শেষ হয়ে যায় সেই টাকা। তাই দুশ্চিন্তায় পড়েন মেয়ের চিকিৎসা নিয়ে।

এসময় তার পাশে এসে দাঁড়ান গণমাধ্যম। প্রথমে চিকিৎসকরা তাকে অবহেলা করলেও গণমাধ্যমকর্মীদের আনাগোনার কারণে এখন ডাক্তার ও নার্সরা বিথিকে বেশ যত্নআত্মি করে। এমনকি বিথির চিকিৎসা এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসকরা।

রোববার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘চিকিৎসরা বলেছেন- আপনার সাধ্যমতো টাকা পয়সা যা পারেন গোছান। আর বাকিটা সহযোগিতা আমরা করবো। তাই আমার দুশ্চিন্তা কিছুটা কমেছে।’

তিনি জানান, বিথির রোগ সম্পর্কে এখনো কিছু নিশ্চিত করে বলেননি চিকিৎসকরা। তবে প্লাস্টিক সার্জারির ডাক্তাররা দেখে গেছেন। তারা বলেছেন- প্লাস্টিক সার্জারি করা লাগতে পারে। সোমবার বিথির বুকের দু’টি পরীক্ষা করার কথা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিথির জন্ম থেকেই মুখে দাড়ি গোঁফসহ সারা শরীরে লোম ছিল। এতে কোনো সমস্যা হচ্ছিল না। একবছর আগে স্তন অস্বাভাবিক আকারে বাড়তে থাকে। আর মাসখানে আগে স্তনে জ্বালাপোড়া শুরু হয়। এতোটা অস্বাভাবিকভাবে স্তন বেড়েছে যে, সে ভালোভাবে হাঁটাচলা করতে পারে না। সহ্য করতে পারে না ব্যাথা-যন্ত্রণা। এর আগে সাত বছর বয়সে তার সব দাঁত পড়ে যায়। পরে আর সেই দাঁতও গজায়নি।

গত ১৬ এপ্রিল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যান্ডোক্রাইনোলজি (ডায়াবেটিস ও হরমোন) বিভাগের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদের অধিনে চিকিৎসাধীন রয়েছে বিথি।

টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার জয়ভোগ গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের তিন সন্তানের মধ্যে বড় বিথি। জয়ভোগ পাবলিক উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী সে।

বিথির চিকিৎসায় সহযোগিতা করার জন্য দেশের বিত্তবানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বিথির বাবা আব্দুর রাজ্জাক। এজন্য বিকাশ অ্যাকাউন্ট ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে।

বিথির বাবার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হলো- MD. A. RAZZAK, হিসাব নম্বর : ০৯৪৭১০১২০৭৩৯০, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, শাহবাগ এভিনিউ, মডেল থানা। এছাড়া ০১৭২০-৩৬৬৭৮৩ বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠানো যাবে।