মেইন ম্যেনু

অভিজিৎ হত্যাকারীরা নজরদারিতে, শিগগিরই গ্রেফতার

অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নিয়েছিল এমন ৩ জন এবং ঘটনাস্থলের আশপাশে অবস্থান করছিল এমন ৬ জনকে সনাক্ত করা হয়েছে। তাদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এমনকি গত কয়েকদিনে তাদের গ্রেফতারে অভিযানও চালানো হয়েছে। খুব শিগগিরই তাদের গ্রেফতার করা হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আগামীকাল অভিজিৎ হত্যার এক বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এ হত্যাকাণ্ড ছিল একেবারেই ক্লুবিহীন। এসব মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে বেশ সময় লাগে। হত্যাকারীরা সুপরিকল্পিত উপায়ে অভিজিতকে হত্যা করে সরে যায়। তাদের সনাক্ত করতে বছরখানেক সময় লেগে যায়। ওই সময় মোট ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এদের মধ্যে কেউ সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ না নিলেও দুজন প্ররোচনাকারী ছিল। ফারাবি ও রাহিকে প্ররোচনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করে অভিযুক্ত করা হয়েছে।’

অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘গ্রেফতারকৃতদের ডিএনএ সংগ্রহ করে এফবিআইয়ের কাছে পাঠানো হয়েছে। অভিজিৎ ও গ্রেফতারকৃত আসামিদের ডিএনএ-এর পরীক্ষা শেষ হয়েছে। এখন প্রশাসনিক কাজ শেষ হলে প্রতিবেদনগুলো দেশে পাঠানো হবে। সেগুলো এলে আসামিদের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে।’

তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতিবেদন আসুক আর না আসুক, গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের প্রচেষ্টায় অভিজিৎ হত্যাকারীদের সনাক্ত করা হয়েছে। শিগগিরই তাদের গ্রেফতার করা হবে। এই মুহূর্তে তারা নজরদারিতে আছে ও তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। শিগগিরই আপনারা সুখবর পেতে যাচ্ছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডে যারা অংশ নিয়েছে তারা সবাই আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য।’

এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘পৃথিবীতে টার্গেট কিলিং শতভাগ বন্ধ করা সম্ভব নয়। কেউ যদি কাউকে সুপরিকল্পিত উপায়ে হত্যা করতে চায় তবে সেটা ঠেকানো খুব কঠিন। তবে যাদের হত্যার জন্য বেছে নেওয়া হচ্ছে, তাদের সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করার জন্য পুলিশ পরামর্শ দিতে পারে। এছাড়া চাইলে তারা পুলিশি সহায়তাও নিতে পারে।