মেইন ম্যেনু

অমিতাভের জন্য কপালে সিঁদুর পরেন রেখা!

১৯৯০ সালে দিল্লীর শিল্পপতি মুকেশ আগারওয়ালকে বিয়ে করেন রেখা। সংসারের এক বছর না কাটতেই বৈধব্য বরণ করেন অভিনেত্রী। রেখা লন্ডনে থাকাকালীন সময়ে ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’ লেখা চিঠি রেখে আত্মহত্যা করেন মুকেশ। তবুও এই অপমৃত্যুর প্রভাবক হিসেবে আজও সন্দেহ করা হয় অমিতাভ-রেখার প্রেমকে। সম্প্রতি আর বাল্কির ‘শামিতাভ’ ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছেন ৭২ বছর বয়সী অমিতাভ বচ্চন এবং ৬০ বছর বয়সী রেখা। হয়তো তাই ফিরে এসেছে পুরানো সমালোচনা।

গোঁড়া হিন্দু পরিবারের মেয়ে অভিনেত্রী রেখা। বিধবা হয়েছেন অনেক আগে। নতুন করে বিয়ে করেছেন, এমন ঘটনাও জানা যায়নি। কিন্তু এর পরও তাঁর সিঁথিতে সিঁদুর কেন?

বিতর্কের আগুন নতুন করে উস্কে দিয়েছে অভিনেতা পুনীত ইসারের স্ত্রী দীপালীর মন্তব্য।

দীপালী জোর গলায় বলছেন, ‘অমিতাভের জন্যই সিঁদুর পরেন রেখা।’ ম্যাগাজিনের সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, ‘আমার স্বামী পুনীত অমিতাভ-রেখার বিয়ে নিয়ে অনেক কিছুই জানেন।

তবে কি রেখার পুরোনো বান্ধবী দীপালির বক্তব্য ধরেই বলতে হয়, ‘রেখা আজো অমিতাভের জন্যই সিঁদুর পরেন?’ যদিও দীপালির প্রকাশ্যে বলা ওই বক্তব্যে কখনোই প্রতিবাদ করেননি রেখা। আজো কেউ জানে না, রেখা-অমিতাভের অমলিন এই প্রেমের সম্পর্কের গভীরতা ঠিক কতটা।

তবে অমিতাভের সঙ্গে পুরোনো প্রেমের স্মৃতিকে কখনোই প্রকাশ্যে আনেননি রেখা। গত ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে কথা বলা দূরের কথা, এ পর্যন্ত একসঙ্গে কোনো পার্টিতেও দেখা যায়নি দুজনকে।

হিন্দু শাস্ত্রমতে, নারীদের কপালে সিঁদুর দেয়া মানেই স্বামী বেঁচে আছেন। তবে আশি কিংবা নব্বইয়ের দশকে ভারতের প্রেমিকরা তাদের প্রেমিকাদের বিয়ের আগে সিঁদুর পরাতেন বলে জানা যায়। তখন মেয়েদের কাছে সিঁদুরের দাম ছিল অনেক। ফলে রেখার ভক্তরা অনেকেই ধরে নিয়েছেন, অমিতাভের নামেই আজো সিঁথিতে সিঁদুর পরেন রেখা।