মেইন ম্যেনু

অরক্ষিত রেলক্রসিং॥ ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন পারাপারে দূর্ঘটনার আশংকা

কাজী আনিছুর রহমান, রাণীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা : নওগাঁর আত্রাইয়ে অরক্ষিত রেলগেট দিয়ে প্রতিনিয়ত যানবাহন চলাচল করছে। যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটার আশংকা রয়েছে।

জানা যায়, আত্রাই রেল ব্রীজের দক্ষিন পার্শে একটি,আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের উত্তরে একটি এবং উপজেলার শাহাগোলা রেলওয়ে স্টেশনের উত্তরে একটি রেলক্রসিং রয়েছে। তিনটি রেলক্রসিংই অরক্ষিত।

এসব রেলক্রসিং রেলওয়ের অনুমোদিত না হওয়ায় রেল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে স্থায়ী গেট নির্মানেরও কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

এদিকে এসব রেলক্রসিং দিয়ে প্রতিদিন শতশত ট্রাক, ট্রলি,মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, সিএনজিসহ বিভিন্ন প্রকার যানবাহন চলাচল করে থাকে। অসাবধানতা অবলম্বনে সে কোন সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের কোন দূর্ঘটনা। নামমাত্র বাঁশের অস্থায়ী গেট নির্মাণ করে সেখানে লোক নিয়োগ দেয়া হলেও তাদেরকে কোন বেতন ভাতা দেয়া হয় না। ফলে তাদেরকে মানবেতর জীবন যাপন করতে হয়।

আহসানগঞ্জ রেলস্টেশনের উত্তর পার্শের গেটম্যান আনছার আলী বলেন, আমরা উপজেলা প্রশাসনের আশ্বাসের ভিত্তিতে এখানে রোদ্র বৃষ্টি উপেক্ষা করে দীর্ঘদিন থেকে গেটম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমাদের কোন বেতন ভাতা দেয়া হয় না। যেসব যানবাহন পারাপার হয় তাদের কাছ থেকে দু’এক টাকা করে নিয়ে কোনমতে জীবন ধারণ করি।

রাজশাহী বাঘমারা উপজেলার সিএনজি চালক আবু বক্কর বলেন, আমরা সিএনজি নিয়ে রেলগেট অতিক্রম করলে ৫ টাকা করে দিতে হয়। এভাবে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা দিতেই অনেক সময় টাকা ফুরিয়ে যায়।

আত্রাই রেলস্টেশন সিএনজি স্ট্যান্ডের চেইন মাষ্টার রাজু বলেন, যেহেতু রোদ্র বৃষ্টি উপেক্ষা করে আমাদের জীবনকে দূর্ঘটনা থেকে বাঁচাতে তারা গেটম্যানের দায়িত্ব পালন করছে। এজন্য এ স্ট্যান্ডের আওতায় যত সিএনজি রয়েছে তারা প্রত্যেক সপ্তাহে ১০ টাকা করে গেটম্যানকে দেয়।

সামান্য এ আয় নিয়ে তাদের সংসার চালানো কষ্টকর। আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাষ্টার ছাইফুল ইসলাম বলেন, এসব গেট রেলওয়ের অনুমোদিত নয়। রেল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই রেলের উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এ জন্য এসব রেলক্রসিংগুলোতে স্থায়ী গেট নির্মাণ করা হয়নি।