মেইন ম্যেনু

অর্থবছরের শুরুতেই রেমিটেন্সে ধাক্কা

চলতি অর্থবছরের শুরুতেই ধাক্কা খেল প্রবাসী আয় বা রেমিটেন্স। সদ্যসমাপ্ত জুলাই মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১শ কোটি ৫৪ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৮ কোটি ৪১ লাখ মার্কিন ডলার কম। বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্স সংক্রান্ত সর্বশেষ হালনাগাত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স এসেছে ১শ কোটি ৫৪ লাখ ৩০ হাজার ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৮ কোটি ৪১ লাখ ডলার কম। গত বছরের জুলাইতে রেমিটেন্স এসেছিল ১শ ৩৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। একই সঙ্গে জুনের তুলনায় রেমিটেন্স কমেছে ৪৬ কোটি ডলার। জুন মাসে দেশে রেমিটেন্স এসেছিল ১শ ৪৬ কোটি ৫৮ লাখ মার্কিন ডলার।

জনশক্তি রফতানিতে মন্দাবস্থা, তেলের দরপতন, বিভিন্ন দেশ থেকে শ্রমিকদের ফেরত আসা ও দেশে মন্দা পরিস্থিতির কারণেই রেমিটেন্স আহরণ কমছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এসব কারণেই মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ দেশ থেকেই রেমিটেন্স কমছে।

তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের তুলনায় দেশে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ রেমিটেন্স কম এসেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মোট রেমিটেন্স এসেছে এক হাজার ৪৯২ কোটি ৬২ লাখ মার্কিন ডলার। যা তার আগের অর্থবছর ২০১৪-১৫ তে ছিল ১ হাজার ৫৩১ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। সে হিসেবে সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে রেমিটেন্স কমেছে ৩৯ কোটি ডলার বা ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

রেমিটেন্স সংক্রান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিটেন্স এসেছে ৩১ কোটি ২৪ লাখ ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৯৬ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৬৭ কোটি ডলার, বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১ কোটি ৩০ লাখ ডলার রেমিটেন্স দেশে এসেছে।

বরাবরের মতোই বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসীদের পাঠানো সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে। এ ব্যাংকটির মাধ্যমে প্রবাসীরা ২৫ কোটি ১০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছে। এছাড়া দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১২ কোটি ২১ লাখ এবং সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৮ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার।