মেইন ম্যেনু

অল্প বয়সেই হারিয়ে যাচ্ছে মেয়েবেলা

আজকাল অল্প বয়য়েই হারিয়ে যাচ্ছে মেয়েবেলা। বয়ঃসন্ধির পরিবর্তন এখন মেয়েবেলাতেই হাজির। মেয়েদের শরীরের যে পরিবর্তন গুলি ১৩ বছরের পর থেকে আসার কথা তা এখন ৮ থেকে ৯ বছর বয়সেই এসে যাচ্ছে। মানে কম বয়সেই আজকাল মেয়েদের পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ডাক্তারি পরিভাষায় যার নাম প্রিকশাস পিউবার্টি। যার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নানা সমস্যা। শারীরিক অস্বস্তি ছাড়াও প্রিকশাস পিউবার্টির জন্যে মেয়েদের মধ্যে অনেক সময়েই মানসিক কিছু সমস্যাও দেখা দেয়। এর প্রধান কারণ হল, শারীরিক এই সব পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গেলে মানসিকভাবে যতটা পরিণত হওয়া উচিত তা এত কম বয়সে হওয়াটা সম্ভব নয়।

কিন্তু কি কারণে প্রিকশাস পিউবার্টি হয়? তা যদি আপনি জেনে নেন তাহলে আপনার পরিবার থেকে হারিয়ে যাবে না অকাল মেয়েবেলা। আসুন দেখে নিই কারণ গুলি:

১. প্রেগনেন্সি এবং প্রেগনেন্সি পরবর্তী সময়ে যে সব মায়েরা অত্যধিক সয় ডায়েটের উপরে থাকেন তাঁদের ইউটেরাসের ফাইটোইসট্রোজেন এক্সপোজার বেশি হয়, যা ভ্রূণের ক্ষতি করে। ফলে ভ্রূণটি যদি মেয়ে হয়ে জন্ম নেয় তাহলে প্রিকশাস পিউবার্টি-এর সমস্যা আসতে পারে।

২. সন্তানকে মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত করলে হবে না। আজকাল ফিগার মেন্টট করার জন্য মেয়েরা সন্তানকে দুধ খেতে দেয় না। ফলে সন্তানের নানান সমস্যা দেখা দেয়।

৩. বাচ্চাদের মধ্যে ওবিসিটির মাত্রা বেড়ে যাওয়া। এর জন্যে দায়ী খাবারের অভ্যেস এবং বদলে যাওয়া জীবনযাপন। সঙ্গে অবশ্যই কৃত্রিম হরমোন এবং অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া পোলট্রির খাবার যেমন মাংস, ডিম। জেনিটিকালি ইঞ্জিনিয়ার করা শাকসবজি এবং শস্য।

৪. এখন বেশির ভাগ সময়েই সাধারণ যে জল সরবরাহ করা হয় তার মধ্যে ফ্লুরাইড মেশানো হয়। এই ফ্লুরাইড শরীরে মেলাটনিনের সঞ্চলন কমিয়ে দেয় যার ফলে অকাল পিউবার্টি হয়।

৫. প্লাস্টিকে সিন্থেটিক রাসায়নিক বিসফেনল এ-র থেকে উপস্থিতি। আর এই প্লাস্টিকের নিত্য ব্যবহারে হারাচ্ছে মেয়েবেলা।

৬. সঙ্গে রয়েছে, ছোট থেকেই খুব স্ট্রেসের মধ্যে জীবন কাটানো, বাড়ির পরিবেশ সুস্থ স্বাভাবিক না হওয়া।

এই সমস্যা এড়াবেন কি করে?

১. প্রেগনেন্সির সময়ে সয় খাবার না খাওয়াই ভালো। এমনকি সন্তানকে যে বেবি ফুড খাওয়াবেন, খেয়াল রাখবেন তা যেন সয় বেসড না হয়। অর্গানিক খাবার এবং অর্গানিক মাংস খাওয়ার অভ্যেস তৈরি করুন। তাজা খাবার খান। প্রসেসড এবং প্যাকেজড খাবার এড়িয়ে যান।

২. যে সব দুধ এবং অন্যান্য ডেয়ারি প্রডাক্টে জেনিটিকালি ইঞ্জিনিয়ারড রিকম্বিন্যান্ট বোভাইন গ্রোথ হরমোন থাকে সেই সব খাবার এড়িয়ে যান।

৩. প্লাস্টিকের পরিবর্তে খাবার কাঁচের জারে রাখুন।