মেইন ম্যেনু

অস্কার পুরস্কার কাঠের ছিল, জানেন কি?

প্রতিটি অভিনেতা অভিনেত্রী আর নির্মাতাদের দৃষ্টি থাকে অস্কারের দিকে। বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম সম্মান হচ্ছে এই অস্কার। চলচ্চিত্রে অস্কারকে বলা হয় নোবেল পুরস্কার। তাই স্বপ্নটা তো এখানেই থাকবে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের। এটাই তো স্বাভাবিক। তাই নয় কি?

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের মাঝে উন্মাদনা বেড়ে যায় অস্কার আসরকে কেন্দ্র করে। অস্কারের আসর মানেই সারা বিশ্ব জুড়ে উন্মাদনা। গোটা দুনিয়ার চোখ থাকে টেলিভিশনের পর্দায়। পছন্দের কোন অভিনেতা, অভিনেত্রীর হাতে ট্রফি উঠছে, অনুষ্ঠান পরিচালনায় কী অভিনবত্ব থাকছে, তা নিয়ে আগে থেকেই কৌতূহল।

এই অস্কারেরর আসরেই এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে যা জানলে চমকে যেতে হয়। এবছর অস্কার পা দেবে ৮৮ তম বর্ষে। তার আগে চলুন ফিরে দেখে নিই সেই বিস্ময়কর তথ্যগুলো।

১। ধাতুর বদলে অস্কারের ট্রফি একবার কাঠ দিয়েও তৈরি হয়েছিল। অস্কারের ইতিহাসে একবারই কাঠের তৈরি অস্কার তুলে দেওয়া হয়েছিল অভিনেতাকে। ১৯৩৮ সালে সে ট্রফি পেয়েছিলেন আমেরিকান অভিনেতা এডগার বার্ডম্যান।

২। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ধাতুর মূল্যবৃদ্ধি ও সংকট দেখা দিয়েছিল। তাই তিন বছর ধরে পেন্টেড প্লাস্টারে তৈরি হয়েছিল অস্কার ট্রফি।

৩। অস্কার অনুষ্ঠান প্রথম সম্প্রচারিত হয় ১৯৫৩ সালে। আমেরিকা ও কানাডা জুড়ে হয়েছিল সম্প্রচার।

৪। অস্কারজয়ী কেউ যদি অস্কার ট্রফি বিক্রি করতে চান তাহলে, অ্যাকাডেমিই তা ১ ডলারে কিনে নিতে রাজি হয়ে যায়।

৫। একক কৃতিত্বে সবথেকে বেশি অস্কার পেয়েছেন ওয়াল্ট ডিজনি। তিনি পেয়েছিলেন ২৬টি অস্কার।

৬। সবেথেকে বেশি সময় ধরে অস্কারে বক্তৃতা দিয়েছিলেন গ্রির গ্যারসন। ৫-৭ মিনিট লম্বা ছিল তার অ্যাকসেপটেন্স স্পিচ।

৭। সবথেকে কমবয়সী অস্কারজয়ী টটাম ওনিয়েল। বয়স ছিল মাত্র ১০। সবথেকে বেশি বয়সে অস্কার পেয়েছিলেন খ্রিস্টোফার প্লামার। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

৮। এক্স রেটেড ফিল্ম হিসেবে একমাত্র ‘মিডনাইট কাউবয়’ ছবিটি সেরা ছবির অস্কার পেয়েছিল।

৯। যদি কোনওভাবে মঞ্চে বিজয়ীর নাম ভুল বলা হয়, তাহলে পিডব্লুসি-র (PricewaterhouseCoopers -PwC) অফিসার এসে তৎক্ষণাৎ অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

১০। অস্কার দেওয়ার সময় গড়পড়তা অ্যাওয়ার্ড সেরিমোনির মতোই বলা হত, অ্যান্ড দ্য উইনার ইজ…৷ ১৯৮৯ থেকে তা বদলে ফেলে বলা শুরু হয়, অ্যান্ড দ্য অস্কার গোজ টু…৷ সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলছে।