মেইন ম্যেনু

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন টার্নবুল

অস্ট্রেলিয়ার ২৯তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ক্ষমতাসীন লিবারেল দলের নেতা ম্যালকম টার্নবুল। মঙ্গলবার সকালে ক্যাবেরার গভার্নমেন্ট হাউসে তার শপথ অনুষ্ঠিত হয়। টার্নবুলকে শপথ বাক্য পাঠ করান অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেল পিটার কসগ্রোভ।

২০১৩ সাল থেকে এ নিয়ে চারবার প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হল দেশটিতে।

সোমবার রাতে লিবারেল দলে যে ভোটাভুটি হয় তাতে দুর্ভাগ্যক্রমে হেরে যান টনি অ্যাবোট। তিনি পান মোট ৪৪ ভোট। অন্যদিকে একসময় তার সরকারের যোগাযোগমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ম্যালকম টার্নবুলের পক্ষে ভোট পড়ে ৫৫টি। তার সরকারের অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে বহু দিন ধরেই সমালোচিত হয়ে আসছিলেন অ্যাবোট।

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিদায়ী ভাষণে অ্যাবোট ক্ষমতা ছাড়ার দিনটিকে ‘কঠিন’ বলে বর্ণনা করে পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে যথাসম্ভব ‘সহজ’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে তিনি রাজনীতির মঞ্চ থেকে বিদায় নেবেন কিনা এ ব্যাপারে কিছু বলেননি। সাংবাদিকদের অ্যাবোট বলেন, ‘এটি একটি কঠিন দিন। কিন্তু যখন আপনি এই খেলায় যুক্ত হবেন তখন তার নিয়মও মেনে নিতে হবে।’

এদিকে সোমবার রাতে ভোটাভুটিতে বিজয়ী হওয়ার পর নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে টার্নবুল বলেন,‘অস্ট্রেলিয়ার এটি একটি দারুন ঘটনা।’ এ সময় তিনি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা পরিবর্তনেরও প্রতিশ্রুতি দেন বলে বিবিসি ও রয়টার্স জানিয়েছে।

একসময় টনি অ্যাবটের মন্ত্রিসভায় যোগাযোগমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন ম্যালকম টার্নবুল। পরে অ্যাবটের সঙ্গে মতপার্থক্য হওয়ায় তিনি মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ান এবং টনি অ্যাবোটের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাতে থাকেন এবং দলে নিজের পক্ষে ব্যাপক জনমত গড়ে তুলতে সক্ষম হন। তবে সরে দাঁড়াতে রাজি ছিলেন না টনি অ্যাবোট। শেষ পর্যন্ত এই বিরোধ ভোটাভুটিতে গড়ায় যাতে জয়ী হন ম্যালকম টার্নবুল।