মেইন ম্যেনু

অ্যাপলের প্রথম ১০ কর্মী এখন কোথায়?

অ্যাপলের নামটি আসলেই স্টিভ জবস এর কথা চোখে ভেসে উঠে। নিঃসন্দেহে তিনিই একে বিশ্বের সেরা প্রযুক্তি কম্পানিতে রুপদান করেছেন।

তবে যারা এর প্রথমদিককার কর্মী ছিলেন তাদের অবদানও কম নয়।
অ্যাপলের প্রথম সিইও মাইকেল স্কট কম্পানিটির প্রথম কর্মীদের সম্পর্কে বলেছেন:
১০. গ্রে মার্টিন ছিলেন অ্যাকাউন্টিং ইনচার্জ। ১৯৮৩ সালে তিনি অ্যাপল ছেড়ে মহাকাশ ভ্রমণ নিয়ে কাজ করা কম্পানি স্টারসট্রাকে যান। পরবর্তী এক দশক তিনি একের পর এক কয়েকটি কম্পানির সিএফও হিসেবে কাজ করেন।
৯. শেরি লিভিংস্টোন ছিলেন অ্যাপলের প্রথম সিইও এর ডান হাত এবং প্রথম সেক্রেটারি।
৮. ক্রিস এস্পোনিয়া হাই স্কুলে থাকার সময় মাত্র ১৪ বছর বয়সে অ্যাপলে খণ্ডকালীন কাজ শুরু করেন। আর তিনি এখনো সেখানে কাজ করছেন। তিনি অ্যাপলের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি কর্মী।
৭. মাইকেল স্কট ছিল প্রথম সিইও। তিনিই কম্পানিটিকে প্রথম দাঁড় করান। তিনি কর্মীদের নাম্বার দেওয়ার সময় নিজের নাম্বার দেন ৭, জেমস বন্ডের ০০৭ অনুকরণে।

৬. র‌্যান্ডি উইগিনটন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি কম্পানির জন্য কাজ করেন। তিনি অ্যাপলের প্রথম প্রোগ্রাম ল্যাঙ্গুয়েজ BASIC পুনরায় লিখেছেন। অ্যাপলের পর তিনি কাজ করেন eBay, Google, Chegg, and Square-এ।
৫. রড হল্ট Apple II এর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। উচ্চমাত্রায় বিবেচ্য ডিজাইনার ছিলেন রড হল্ট। প্রথমে তিনি অ্যাপলে কাজ করতে চাননি। কিন্তু স্টিভ জবস এর প্ররোচণায় তিনি এতে যোগ দেন। ছয় বছর কাজ করার পর নতুন ব্যবস্থাপনা বোর্ড তাকে অ্যাপল থেকে বিতাড়িত করে।

৪. বিল ফার্নান্দেজ ছিলেন দুই স্টিভের পর প্রথম কর্মী। তিনি হাই স্কুলে থাকার সময়ই স্টিভ ওজনিয়াক এবং স্টিভ জবসকে চিনতেন।

তিনি অ্যাপলের বেশ কয়েকটি পদে কাজ করেন। প্রথমে হার্ডওয়্যার, পরে সফটওয়্যারে আর সবশেষে ইন্টারফেস ডিজাইনে কাজ করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি অ্যাপল ছেড়ে ইনগ্রেসে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি অমনিবায়োটিকস নামের একটি কম্পানিতে সিইও হিসেবে কর্মরত আছেন।

৩. মাইক মারকুলা ছিলেন মানিম্যান। দুই স্টিভের মতো তিনিও অ্যাপলকে দাঁড় করানোর পেছনে প্রধান ভুমিকা পালন করেন। তিনি অ্যাপলে ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার বিনিয়োগ করেন। বিনিময়ে তিনি কম্পানির ৩০% শেয়ারের মালিকানা পান।

মারুকুলা ইন্টেলের প্রথম কর্মীদের একজন। মাত্র ৩০ বছর বয়সে তিনি মিলিনিয়র হন। ১৯৯৭ সালে তিনি অ্যাপল ছাড়েন এবং কয়েকটি স্টার্টআপে বিনিয়োগ করেন। সান্তা ক্লারা বিশ্ববিদ্যালয়ে মারকুলা সেন্টার ফর অ্যাপ্লাইড এথিকস স্থাপনে অর্থ দান করেন।

২. স্টিব জবস ছিলেন দ্বিতীয় কর্মী। কিন্তু তাকে সেখান তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপর তিনি নেক্সট নামের একটি স্টার্টআপ সৃষ্টি করেন। সেখান থেকে পুনরায় তিনি অ্যাপলে ফিরে আসেন। অ্যাপল নেক্সটকে কিনে নেয়। ২০১১ সালে জবস মারা যান।

১. স্টিভ ওজনিয়াক ছিলেন টেকনিকাল এক্সপার্ট। তার যোগদানের কথা ছিল ওরেগনে এইচপির চাকরিতে। কিন্তু পরে অ্যাপলে যোগ দেন। সিলিকন ভ্যালির পরিচিত চেহারা ছিলেন তিনি।

দুই স্টিভের সঙ্গে অ্যাপলের প্রথম আরেকজন অংশীদার ছিলেন রোনাল্ড ওয়েইন। কিন্তু ১৯৭৭ সালে মারকুলার কাছে মাত্র ১,৭০০ ডলারে নিজের অংশ বিক্রি করে দিয়ে তিনি অ্যাপল ত্যাগ করেন।

সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার