মেইন ম্যেনু

‘অ্যালিয়েনরা পৃথিবীতে এসেছিল যুদ্ধ ঠেকাতে’

অ্যালিয়েন বা ভিন গ্রহের প্রাণী নিয়ে জল্পনা কল্পনার শেষ নেই। দিন যত আগাচ্ছে ততই অ্যালিয়েন সংক্রান্ত নতুন নতুন তথ্য আমাদের হাতে আসছে। এই তথ্যগুলোর বেশিরভাগই কিছুদিন পর ভুয়া প্রমাণিত হলেও কিছু তথ্যের কিনারা করা যায় না। বিজ্ঞানীরা সেই তথ্যগুলোর উপর ভিত্তি করে নতুন করে গবেষণা পদ্ধতি সাজান এবং নতুন অভিযানের প্রস্তুতি নেন। কিন্তু সম্প্রতি সাবেক এক নভোচারি অ্যালিয়েন নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে মোটামুটি বিশ্ববাসী নাড়া না খেলেও যারা মহাকাশ সম্পর্কে খবরাখবর রাখেন বা ভালোবাসেন তাদের জন্য এটা বিশাল বড় খবর।

এডগার মিচেল নামের এই নভোচারি এক বক্তব্যে জানিয়েছেন যে, ১৯৪০ সালে আমেরিকা এবং রাশিয়ার মধ্যে সম্ভাব্য পারমাণবিক যুদ্ধ ঠেকানোর জন্য অ্যালিয়েনরা পৃথিবীতে এসেছিলেন। শুধু তাই নয়, এডগারের বক্তব্য অনুযায়ী, অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও ওই অ্যালিয়েন জাহাজ দেখেছিলেন। তার দাবি, ১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই যখন পৃথিবী প্রথমবারের মতো পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা চালিয়েছিল, তখনই মূলত অ্যালিয়েনরা তাদের যান নিয়ে পৃথিবীতে এসেছিল।

UFO

১৯৭১ সালে অ্যাপোলো ১৪’র মিশন শেষে পৃথিবীতে ফিরে এসেছিলেন নভোচারি এডগার মিচেল। পৃথিবীতে আসার পর থেকে তিনি যত স্থানে বক্তৃতা দিয়েছিলেন, প্রায় সবখানেই তিনি অ্যালিয়েন থাকার পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন এবং নিজস্ব কায়দায় তার বক্তব্যের পক্ষে প্রমাণও হাজির করেছেন। ৮৪ বছর বয়সী মিচেল মিরর অনলাইনকে দেয়া সাক্ষাতকারে বলেন, ‘পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করার জন্য সাদা বালুর ক্ষেত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। আর এটাই মূলত অ্যালিয়েনদের আগ্রহী করে তুলেছিল। তারা আমাদের সেনাক্ষমতা সম্পর্কে জানতে এসেছি। আমার একটাই লক্ষ্য যে, পৃথিবীর মানুষকে এটা বলা যে অ্যালিয়েনরা যুদ্ধ পরিহার করে একটি সুন্দর বাসযোগ্য পৃথিবীর পক্ষের।’

অবশ্য মিচেলের দাবি যে, পৃথিবীর মানুষ এখন যে প্রযুক্তি বা কৌশল ব্যবহার করছে তা অ্যালিয়েনদের তুলনায় অনেক কম শক্তিশালী। মানুষ এখনও অ্যালিয়েনদের সমকক্ষ হতে পারেনি। এবিষয়ে অবশ্য মিনিস্ট্রি অব ডিফেন্সের সাবেক ইউএফও গবেষক নিক পোপ বলেন, ‘মিচেলের কথা যদি আমরা সত্যি বলে ধরেও নেই, তাহলেও প্রশ্ন থেকে যায় ওই গোপন তথ্যগুলো কিভাবে জানা যাবে?’