মেইন ম্যেনু

অ্যাসিডিটির সমস্যা তৈরি করে যে খাবারগুলো

অ্যাসিডিটি বিষয়টি খাদ্যের সাথে সম্পর্কিত এবং এটি পরিমাপ করা হয় ১৪ পয়েন্টের pH স্কেল দিয়ে। pH ৭.০ অর্থ নিরপেক্ষ যা অ্যাসিডিক ও না ক্ষারীয় ও না। ৬.৯ বা ৭ এর নিচের মাত্রাকে অ্যাসিডিক বলে এবং ৭.১ ও এর উপরের মাত্রাকে ক্ষারীয় বলে। সাধারণত ফল সবচেয়ে অ্যাসিডিক খাদ্য। আমাদের শরীরের বিভিন্ন তন্ত্রের মধ্যে অ্যাসিড ও ক্ষারের অর্থাৎ pH এর ভারসাম্য থাকা প্রয়োজন। বাস্তবিক অর্থে খুব বেশি অ্যাসিডিক অবস্থা তৈরি হওয়া খুব মারাত্মক কোন সমস্যা নয়। কিন্তু এক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন কারণ অ্যাসিডিটির ফলে কিছু উপসর্গ দেখা দেয়, যেমন- অবসাদ, যন্ত্রণা, মাথাব্যথা, এনার্জি লেভেল কমে যাওয়া, ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া ও সংক্রমণ ইত্যাদি।

উচ্চমাত্রার অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করলে শরীরে অতিরিক্ত অ্যাসিডিটি বা অম্লতা সৃষ্টি হয়। যার ফলে ইউরিক অ্যাসিড স্টোন তৈরি করে যা একধরণের কিডনি পাথর। অতিরিক্ত অম্লতা টিস্যু ও অস্থির সমস্যা সৃষ্টি করে। এছাড়াও অতিরিক্ত অম্লতা দীর্ঘমেয়াদী রোগ যেমন- ক্যান্সার, হার্টের অসুখ ও লিভারের অসুখ সৃষ্টিতে সাহায্য করে। উচ্চমাত্রার অ্যাসিডিক খাবার গুলো সম্পর্কে জেনে নিই আসুন।

। আইসক্রিম

যেহেতু দুগ্ধ জাতীয় পণ্য অ্যাসিডিক তাই আইসক্রিম ও অ্যাসিডিক। আইসক্রিম ঘনত্ব বেশি বলে অন্য দুগ্ধ জাতীয় পণ্যের চেয়ে এর অ্যাসিডিটি বেশ। এক কাপ আইসক্রিমকে নিরপেক্ষ করতে ২০ কাপ ক্ষারীয় পদার্থ প্রয়োজন।

২। কোমল পানীয়

কোমল পানীয় অতিরিক্ত অ্যাসিডিক। কোমল পানীয়তে উচ্চ মাত্রার চিনি, ফসফরিক অ্যাসিড ও ক্যাফেইন থাকে যা অ্যাসিডিক। তাই কোমল পানীয় পান করা উচিৎ নয়।

৩। চিনি

চিনি অ্যাসিডিক এবং বর্জনীয় পদার্থ। শুধুমাত্র কৃত্রিম বা সাদা চিনিই নয় সব ধরণের চিনিই যেমন- মধু, গুঁড় ইত্যাদি অ্যাসিডিক। এমনকি ফলের চিনিও অ্যাসিডিক।

৪। ইষ্ট

যদি আপনার শরীরে অনেক বেশি পরিমাণে ইষ্ট জমা হয় তাহলে তা অ্যাসিডিটি তৈরি করবে। পাউরুটি, পাস্তা, বেক করা খাদ্য ও অ্যালকোহলে ইষ্ট থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে ক্ষারীয় খাদ্য অ্যাসিডিক খাদ্যের চেয়ে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। তাই এমন খাদ্য নির্বাচন করুন যা আপনার শরীরের pH এর ভারসাম্য রক্ষা করবে। বাদাম, লবণ, মসলা, আচার, টোব্যাকো, কর্ণ অয়েল, ফল, বীজ ও সিম জাতীয় খাদ্য পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।