মেইন ম্যেনু

আঁশফলে কঠিন রোগ নিরাময়

লিচুর মৌসুম শেষ হতে না হতেই হাতে এসে পৌঁছায় আঁশফল। অপেক্ষাকৃত ছোট আকারের ফলটি দেখতে লিচুর মতো। স্বাদ ও গন্ধে লিচুর কাছাকাছি। কেউ কেউ এই ফলকে কাঠলিচুও বলে থাকেন। খাওয়ার মজা আঁশফলে রয়েছে প্রচুর খাদ্যগুণ।

প্রতি ১০০ গ্রাম আঁশফলে পাওয়া যাবে শক্তি ২৫১ কিলোক্যালরি, শর্করা ১৫.১৪ গ্রাম, খাদ্যআঁশ ১.১ গ্রাম, স্নেহ পদার্থ ০.১ গ্রাম, প্রোটিন ১.৩১ গ্রাম, থায়ামিন ০.০৩১ মিলিগ্রাম, রিবোফ্লাভিন ০.১৪ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন ০.৩ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৮৪ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.১৩ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ১০ মিলিগ্রাম, ম্যাঙ্গানিজ ০.০৫২ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২১ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ২৬৬ মাইক্রোগ্রাম, দস্তা ০.০৫ মিলিগ্রাম। এসব উপাদান শরীরকে দেয় নানা রোগ থেকে সুরক্ষা। জেনে নেয়া যাক মৌসুমী ফল আঁশফলের কঠিন রোগ নিরাময়ের গুণ সম্পর্কে।

– শারীরিক দুর্বলতা তাড়াতে আঁশফল অতুলনীয়। অবসাদগ্রস্ততা দূর করতেও আঁশফলের দারুণ সুনাম।

– হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা এবং সক্রিয় রাখতে আঁশফল উপকারী ভূমিকা পালন করে।

– স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে প্রত্যেকেরই পর্যাপ্ত পরিমাণে আঁশফল খাওয়া উচিৎ।

– উচ্চরক্তচাপ কমাতেও আঁশফল সাহায্য করে।

– পেটের অসুখ দুর করতেও আঁশফলে থাকা খাদ্যআঁশ উপকারী।

– আঁশফলে উপস্থিত লৌহ আপনার দেহের ক্ষয়পূরণে সহায়ক।

– আমাদের দেহের মাংসপেশির ক্ষয়রোধ করতে আঁশফল খুবই উপকারী।

– কোনো ধরনের ফ্যাট না থাকায় ওজন কমাতেও আঁশফল সাহায্য করে।

– প্রতিদিনের শক্তি যোগাতে আঁশফলের তুলনা নেই। তাৎক্ষণিকভাবে দেহে শক্তি এনে দেয় আঁশফল।

– আঁশফলের ভিটামিন সি নানা ধরনের সংক্রামণ থেকে রক্ষা করে।

– এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধে দেহকে শক্তিশালী করে তোলে।

– ত্বকের জন্য উপকারী। চুলের যত্নে আঁশফলের বীজের দারুণ সব ব্যবহার প্রচলিত।