মেইন ম্যেনু

লন্ডন রিভিউ অব বুকসের প্রতিবেদন

আইএসআইয়ের হাতেই বন্দী ছিল লাদেন

আল কায়েদার সাবেক প্রধান ওসামা বিন লাদেন পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের হাতেই বন্দী ছিলেন বলে খবর বেরিয়েছে।

প্রায় ছয় বছর আইএসআইয়ের হাতে বন্দী থাকার পর ‘সাজানো অভিযানের’ মাধ্যমে মার্কিন বাহিনীর কাছে লাদেনকে হস্তান্তর করা হয়।

২১ মে ‘লন্ডন রিভিউ অব বুকস’-এ সাংবাদিক সেইমার এম হার্সের একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বুধবার ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর ওসামার মৃত্যু নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রায় ছয় বছর ধরে পাকিস্তানের এ্যাবোটাবাদের গ্যারিশনের একটি কারাগারে বন্দী ছিল লাদেন। পরে একটি ‘সাজানো অভিযানের’ নামে মার্কিন বাহিনীর কাছে লাদেনকে হস্তান্তর করা হয়।

খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন সরকার লাদেনের মাথার জন্য যে আড়াই কোটি মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল, তার বিনিময়ে পাকিস্তানের গোয়েন্দা বাহিনীর সাবেক এক কর্মকর্তা লাদেনের অবস্থানের বিষয়টি সিআইএ’র (মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা) কাছে প্রকাশ করেন।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ২ মে পাকিস্তানের এ্যাবোটাবাদের একটি বাড়িতে অভিযান চালায় মার্কিন নেভি সিলের সদস্যরা। ওই অভিযানে লাদেন নিহত হন বলে দাবি করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার।

পুলিৎজার পুরস্কারপ্রাপ্ত মার্কিন অনুসন্ধানী সাংবাদিক সেইমার হার্সের আগে মার্কিন সরকারের ওই দাবিকে ‘রূপকথার গল্প’ বলে অভিহিত করেন।

বিবিসি সাংবাদিক জেন কর্বিন, যিনি আল কায়েদা ও ওসামাকে নিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে গবেষণা করেছেন, এর আগে দাবি করেন, ওসামার হত্যাকাণ্ড নিয়ে পাক-মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে ষড়যন্ত্র হয়েছে। হার্সের আগে তার প্রতিবেদনের বিষয় নিয়ে কর্বিনের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেইমার হার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওসামার দেহ সম্ভবত গুলিতে ছিন্নভিন্ন হয়েছে। কারণ হিন্দুকুশ পর্বতে তার শরীরের কিছু অংশ ছিটকে পড়ে। তার এ দাবি নতুন করে নানা বিতর্কের জন্ম দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।