মেইন ম্যেনু

‘আইএস’ সন্দেহে আটক আরো ৮

ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জে আন্তর্জাতিক জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) প্রচারপত্র লাগানোর সময় স্কুলছাত্রকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরো ৮জনকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার রাত ও শনিবার দুপুর পর্যন্ত গোয়েন্দা বিভাগ ও জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক কিশোর মোহাম্মদ ফাহিম আল ফয়সাল ইবনে মূসা বিন যুলকার নাইন ওরফে কিং ফয়সাল যে আইএস-এর সমর্থক সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে সে আন্তর্জাতিক জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস-এর সদস্য কিনা সে বিষয় আরো তদন্ত চলছে। আটক অপর ৮জনের সঙ্গে আইএস বা জঙ্গিগোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা ব্যাপারে জানতে ডিবি পুলিশ কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এর আগে শুক্রবার রাতে ঈশ্বরগঞ্জ থানা ও ডিবি পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে উপজেলার আঠারবাড়ি রায়ের বাজার থেকে ডা. আব্দুর রশিদ ও তার ছেলে মিজানুর রহমানকে এবং ঈশ্বরগঞ্জ থানা সদরের হায়দার এন্টারপ্রাইজের মালিক হায়দার আলীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়।

এরপর শনিবার দুপুরে আটক করা হয় ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা সদরের নাবিন টেলিকম সেন্টারের মালিক বদিউল হাসান (২০), হেলাল উদ্দিন (২০), জুনাইদ (২৬), মাসুদ মিয়া (২২) ও মজিবুর রহমানকে (২০)।

অভিযানকালে পুলিশ নাবিন টেলিকমের দুটি কম্পিউটারের সিপিও, দুটি মোবাইল ফোন সেট, একটি মডেম ও একটি পেনড্রাইভ জব্দ করে।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে ঈশ্বরগঞ্জের সোহাগী স্কুল অ্যান্ড কলেজের দেয়ালে আইএসের সমর্থনে মধ্যপ্রাচ্যের ডাক শিরোনামে কয়েকটি কবিতা সম্বলিত প্রচারপত্র প্রচারপত্র লাগানোর সময় আটক হয় আঠারবাড়ী এমসি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র কিং ফয়সাল। এসময় ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশিদ তকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

উল্লেখ্য, পরপর কয়েকজন ব্লগার হত্যা এবং সর্বশেষ রাজধানীর গুলশানে কূটনীতিক পাড়ায় ইতালীয় নাগরিক খুন হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে সাইট ইনটেলিজেন্স নামে একটি মার্কিন ভিত্তিক ওয়েবসাইট দাবি করে, এসব হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে আইএস। কিন্তু দেশীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বরাবরই এই তথ্য ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তারা বলছে, দেশে আইএসের কোনো তৎপরতার প্রমাণ তাদের হাতে নেই।