মেইন ম্যেনু

আইপিএল ফাইনালের পর রেকর্ড বইয়ে যত পরিবর্তন

গতকাল রাতেই পর্দা নেমেছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) নবম আসরের। প্রথমবার ফাইনালে উঠেই শিরোপা ঘরে তুলেছে মুস্তাফিজ-ওয়ার্নার-ধাওয়ানদের দল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। আর তৃতীয়বার ফাইনালে উঠেও শিরোপার স্বাদ পাইনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। এই ম্যাচের পর রেকর্ড বইয়ে অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। সেগুলো দেখে নেয়া যাক।

হায়দ্রাবাদের সংগ্রহ ২০৮ রান: আইপিএলের ফাইনালে এটিই দলীয় সর্বোচ্চ রান। এর আগে ২০১১ সালের ফাইনালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ২০৫ রান সংগ্রহ করেছিলো চেন্নাই সুপার কিংস।

৪০৮ রান: আইপিএলের ফাইনালে দুই দল মিলে এটিই সর্বোচ্চ রান। এর আগে ২০১৪ সালের ফাইনালে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের মধ্যকার ম্যাচটিতে মোট সংগ্রহ ছিলো ৩৯৯ রান।

শেন ওয়াটসনের ৬১ রান: এদিন চার ওভার বল করে ৬১ রান দিয়ে উইকেটহীন ছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে খেলা শেন ওয়াটসন। ২০১৪ সালের ফাইনালে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের করনভির সিং চার ওভার বল করে দিয়েছিলেন ৫৪ রান। তবে, তার সান্ত্বনা ছিলো যে তিনি চারটি উইকেট পেয়েছিলেন।

১৩টি ডট বল: এদিন ১৩টি ডট বল করেছিলেন হায়দ্রাবাদের পেসার ভুবনেশ্বর কুমার।

আটটি সেঞ্চুরি রানের পার্টনারশীপ: এদিন ১১৪ রানের পার্টনারশীপ গড়েন ক্রিস গেইল ও বিরাট কোহলি। এটি তাদের অষ্টম সেঞ্চুরি রানের পার্টনারশীপ। আইপিএলে যেকোনও জুটিতে এটি সর্বোচ্চ। কোহলি ও এবি ডি ভিলিয়ার্সের সাতটি সেঞ্চুরি রানের পার্টনারশীপ রয়েছে।

ওয়ার্নারের ৩৬বার:  এদিন হায়দ্রাবাদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৯ রান করেন ডেভিড ওয়ার্নার। আইপিএলে ৩৬বারের মত ওয়ার্নার দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন। ওয়ার্নারের মতো এমন কীর্তির দাবিদার গৌতম গম্ভীর ও রোহিত শর্মা।

গেইলের ২৫১তম ছক্কা: আইপিএলে ক্রিস গেইল ছক্কা মেরেছেন মোট ২৫১টি। ১৬৩টি ছক্কা মেরে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন রোহিত শর্মা।

গেইলের ৯০০০ রান: টোয়েন্টি-২০ ক্রিকেটে প্রথমবারের মত নয় হাজার রানের মালিক হয়েছেন ক্রিস গেইল। তার মোট রান ৯০৬৬। তিনি ছাড়া এখনও কেউ সাত হাজার রানও করতে পারেননি।

ডেভিড ওয়ার্নারের ৬৯:  আইপিএল ফাইনালে অধিনায়ক হিসেবে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের মালিক হায়দ্রাবাদের অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। এদিন তিনি ৬৯ রান করেন। তার নীচে আছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ২০১৩ সালের ফাইনালে ৬৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক। তাছাড়া আইপিএলে একজন খেলোয়াড়ের ১০০তম ম্যাচেও ওয়ার্নারের এটি সর্বোচ্চ। ৫৯ রান নিয়ে তার নীচে আছেন মুরালি বিজয়।

ওয়ার্নারের ২৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি: এদিন ২৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন ডেভিড ওয়ার্নার। এর আগে ২০১০ সালের ফাইনালেও ২৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন সুরেশ রায়না। ফলে, আইপিএলের ফাইনালে যৌথভাবে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির মালিক ওয়ার্নার ও রায়না।

ওয়ার্নারের সাতটি হাফ সেঞ্চুরি: সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিপক্ষে সাতটি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন ডেভিড ওয়ার্নার।

চার বিদেশি খেলোয়াড়ের ১০০ ম্যাচ: আইপিএলে চারজন বিদেশি খেলোয়াড় ১০০টি করে ম্যাচ খেলেছেন। তারা হলেন ডেভিড ওয়ার্নার, এবি ডি ভিলিয়ার্স, কাইরন পোলার্ড, ডাওয়েন ব্রাভো।

বিরাট কোহলির ৪১১০: আইপিএলে মোট ৪১১০ রান সংগ্রহ করে সবার উপরে আছেন বিরাট কোহলি। ৪০৯৮ রান নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন সুরেশ রায়না।

ফাইনালে তিনবার ব্যাঙ্গালোর: আইপিএলে মোট তিনবার ফাইনাল খেলেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। কিন্তু একবারও শিরোপা জিততে পারেনি তারা।

ম্যাচ সেরা দুই বিদেশি খেলোয়াড়: আইপিএলের ফাইনালে এ পর্যন্ত দুইজন বিদেশি খেলোয়াড় ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেছেন। এদিন ম্যাচ সেরা হন হায়দ্রাবাদের হয়ে খেলা অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার বেন কাটিং। এর আগে ২০১৩ সালের ফাইনালে ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন কাইরন পোলার্ড।