মেইন ম্যেনু

আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে মঞ্চের নকশা চূড়ান্ত

আগামী ২২ ও ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ২০ তম জাতীয় সম্মেলন। এ উপলক্ষ্যে চলছে জোর প্রস্তুতি। মঞ্চের ডিজাইনও চূড়ান্ত করেছে মঞ্চ ও সাজ-সজ্জা উপ পরিষদ।

মঙ্গলবার বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনে উপ-পরিষদের সদস্য সচিব মির্জা আজমের সংসদীয় কার্যালয়ে এক বৈঠকে নকশা চূড়ান্ত করা হয় বলে জানা গেছে।

সূত্রগুলো বলছে, সম্মেলনের মঞ্চের নকশা চূড়ান্ত করেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ইউসুফ আলী হিরার করা নকশাই অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

জানা গেছে, নৌকা আকৃতির মঞ্চ তৈরী করা হবে। মঞ্চের উচ্চতা হবে ২৫ ফুট। মঞ্চের পেছনে ৩৫ ফুট উচ্চতার এলইডি পর্দা থাকবে। মঞ্চের সামনের দিকে ২৩০ ফুট/১২৫ ফুটের খুটি বিহীন মঞ্চ থাকবে। যেখানে ৭ হাজার অতিথির আসন থাকবে।

বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, ৪০ হাজার মানুষের ধারণক্ষমতা সম্পন্ন প্যান্ডেল করা হবে। প্রতিটি জেলার জন্য পৃথক পৃথক স্থান থাকবে। যেখানে জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের জন্য নির্দিষ্ট আসন বরাদ্দ থাকবে।

আসন্ন সম্মেলনকে জাকজমকপূর্ণ করে তুলতে ঢাকাসহ সারা দেশে আলোকসজ্জার মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরা হবে। রাজধানী ঢাকার মোড়ে মোড়ে লাইটিং করা হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য ও নেতাদের দায়িত্ব দেয়া হবে।

ঢাকার প্রবেশ পথ আলাদাভাবে সাজানো হবে। সারা দেশের মহাসড়কে সরকারের উন্নয়নচিত্র শোভা পাবে। আলোকচিত্রের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন চিত্র তদারকী করার জন্য ১৫টি টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিমগুলো বিভিন্ন জেলা সফর করবে।

স্যান্ড আর্টের মধ্যমে ১৫ আগস্টের কালো রাত্রির হত্যাকাণ্ডের নির্মম ইতিহাসের প্রদর্শনি করা হবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনে।

সম্মেলন উপলক্ষ্যে নির্দিষ্ট ডিজাইনের ব্যানার-ফেষ্টুন ছাড়া আর কোন ব্যানার-ফেষ্টুন লাগানো যাবে না। সেই ব্যানার-ফেষ্টুনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয় ছাড়া আর কারো ছবি ব্যবহার করা যাবে না। দলটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তৃণমূলকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

মঞ্চ ও সাজ-সজ্জা উপ পরিষদ এখনও বাজেট সম্পর্কে কোন ধারণা দিতে পারেনি।

মঞ্চ ও সাজ-সজ্জা উপ পরিষদের সদস্য সচিব মির্জা আজম বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে চমক সৃষ্টিকারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এর মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন-অগ্রগতি এবং গৌরব বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরা হবে।’