মেইন ম্যেনু

আওয়ামী লীগের ধারে কাছেও নেই বিএনপি

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে এখনো পর্যন্ত ৫২২ ইউপির ভোটের ফল এসেছে নির্বাচন কমিশনে (ইসি)। ফলাফল অনুযায়ী, অধিকাংশ জায়গায় আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। ভোট পড়েছে ৭৭ দশমিক ১৯ শতাংশ। নানা ত্রুটির কারণে এসব ভোটের মধ্যে ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৫১টি ভোট বাতিল হয়েছে ।

রোববার দুপুর পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আসা ফলের মধ্যে ৩২৪টিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। সেখানে বিএনপি জয় পেয়েছে মাত্র ৫৭টিতে। ইউপি নির্বাচনের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপেও বিএনপির একই দশা হয়েছিল। অবশ্য দলটির অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনে কারচুপি করেছে ক্ষমতাসীনরা।

শনিবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। এরপর রোববার দুপুর পর্যন্ত পাওয়া ইসিতে যাওয়া ফল অনুযায়ী ১২১টিতে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

এই ধাপে ২৯ ইউপিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নৌকা প্রতীক জয়ী হওয়ায় এখনো আওয়ামী লীগের ৩৫৩ জন চেয়ারম্যান হয়েছেন। এর বাইরে জাতীয় পার্টির ১০ প্রার্থী এবং জাসদের একজন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন এই ধাপে।

শনিবার দেশের ৪৮ জেলার ৬১৪ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হয়। প্রায় সব ইউপিতে ভোটে অনিয়ম, কারচুপির অভিযোগ করেছে বিএনপি। সেগুলোতে ফল বাতিল করে পুনর্নিবাচনের দাবি তুলেছেন তারা। অবশ্য নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, তৃতীয় ধাপের ভোটের ৫৮টি ইউপির ফল এখনও আটকে আছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে আসছে। পার্বত্য এলাকার আটটি ইউপির ফল কয়েকদিন পরে আসবে।

তবে সন্ধ্যার মধ্যেই অধিকাংশ ইউপির ফল চলে আসবে বলে জানান ইসির জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান।

ইসি থেকে পাওয়া প্রাথমিক ফলাফলের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ৫২২ ইউপির ৯৩ লাখ ২০ হাজার ১৯৪ ভোটের মধ্যে শনিবার ৭১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৬৪ ভোট পড়েছে। ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীরা ৪৫ দশমিক ১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন, তাতে ৩২ লাখের বেশি ভোট পড়েছে নৌকায়।

অপরদিকে বিএনপি প্রার্থীদের পক্ষে ভোট পড়েছে ২০ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। অর্থাৎ ১৪ লাখের বেশি ভোট পড়েছে ধানের শীষে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ২১ লাখের বেশি ভোট পেয়েছেন।

ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপে ৭৪ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ধাপে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়ে। ওই দুই ধাপে আওয়ামী লীগের ১০০১ ইউপির বিপরীতে বিএনপির জয় এসেছে ১০৮টিতে।