মেইন ম্যেনু

আগাম নয়, সংবিধান অনুযায়ী আগামী নির্বাচন যথাসময়ে

২০১৯ সালের নির্ধারিত সময়ের আগে সাধারণ নির্বাচনের যে কোনো সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের দোসররা চায় না বাংলাদেশ উন্নতি ও অগ্রগতি অর্জন করুক। তারাই কেবল আগাম নির্বাচন চাইতে পারে।’

মঙ্গলবার বিকেলে (স্থানীয় সময়) নিউইয়র্কে ইউএন মিশনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরে অর্জিত অগ্রগতি জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় রয়েছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন সেক্টরে বাংলাদের উন্নতি করছে। যারা এটা চায় না তারাই কেবল আগাম নির্বাচন নিয়ে হাউকাউ করতে পারে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী আগামী নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে। এ ব্যাপারে কারো উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত নয়।’

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহিমুদ আলী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. আব্দুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয় ছাড়াও, সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসী সাংবাদিকরা বর্তমান রাজনৈতিক ও স্থানীয় ইস্যু নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন।

নিউ ইয়র্কে তার এ সফরকে সফল অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত ২০১৫ পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা সদস্য দেশগুলো বিশেষ করে দরিদ্র দেশগুলোর টেকসই উন্নয়নের জন্য একটি অত্যন্ত ‘গণমুখী’ লক্ষ্য।’

এছাড়াও, তিনি ভারত, জাপান, নেদারল্যান্ডস ও চীনের সঙ্গে অত্যন্ত সফল দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন।

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের ঝুঁকির বিষয়টি স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা দেশকে হত্যা ও ক্যুর রাজনীতিতে নিমজ্জিত করেছিল, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে।’

তিনি বলেন, ১‘৯৭৫ সালের পর বাংলাদেশ হত্যা ও ক্যুর রাজনীতিতে ঘুরপাক খেয়েছে। সরকার দেশকে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।’

তিনি বলেন, ‘নিশ্চয়ই যুদ্ধাপরাধী ও বঙ্গবন্ধুর খুনীরা দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে এবং তারা অবিরাম তাই করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘এই অশুভ তৎপরতার বিরুদ্ধে সরকার দেশে একটি শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য সব ধরণের প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।’