মেইন ম্যেনু

আঙুলের ছাপের অপব্যবহারে ৩০০ কোটি টাকা জরিমানা

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনে গ্রাহকের কোনোরকম ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছে মন্ত্রিসভা। সিম পুনর্নিবন্ধনের সময় নেয়া আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করা হচ্ছে না এবং কোনো কোম্পানি এই ছাপের অপব্যবহার করলে ৩০০ কোটি টাকা জরিমানার বিধানও রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদের সাপ্তাহিক নিয়মিত বৈঠকে এক অনির্ধারিত আলোচনায় এসব বিষয় উঠে এসেছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ সফিউল আলম সাংবাদিকদের একথা জানান।

তিনি জানান, বায়োমেট্রিক পদ্ধতি নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তা নিছক গুজব। যে চারটি আঙুলের ছাপ নেয়া হচ্ছে তা আগে থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রে সংরক্ষিত আছে। পুনর্নিবন্ধনের সময় যে ছাপ নেয়া হয় তা ‘ম্যাচিং’র পর ‘ভেনিশ’ হয়ে যায়। এ ছাপ কোথাও সংরক্ষণ করা হচ্ছে না। এ ছাপ দিয়ে কারো কোনো স্থাবর-অস্থাবরে ক্ষতির আশঙ্কা নেই।

যদি কোনো কোম্পানি এটার অপব্যবহার করে, তাহলে ৩০০ কোটি টাকা জারিমানার বিধান করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

গেল বছর ১৬ ডিসেম্বর থেকে আঙুলের ছাপ দিয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু হয়। ভুয়া পরিচয়ে অথবা নিবন্ধন ছাড়া সিম কিনে নানা অপরাধে ব্যবহারের অভিযোগ বাড়তে থাকায় গ্রাহকদের তথ্য যাচাই ও সিম পুনঃনিবন্ধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। এরপর মোবাইল গ্রাহকদের সিমের তথ্য যাচাইয়ে শুরু হয় জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ভাণ্ডার ব্যবহারের প্রক্রিয়া। তবে এ এভাবে আঙুলের ছাপ নেয়ায় মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন অনেকেই। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত আদালতে গড়ায়।