মেইন ম্যেনু

আঙুলের স্পর্শেই এবার খুলে যাবে তালা

সাধারণত আমরা সবাই তালার কথা বললে চাবির কথাও বলে থাকি। তালাও যেমন রয়েছে অনেক ধরণের, ঠিক রয়েছে তার চাবিরও প্রকারভেদ। সাধারণত আমরা অনেককেই বলতে শোনি, পৃথিবীতে এমন কোন তালা নেই যে তার চাবিনেই। তবে হ্যাঁ, এবার সেই চাবির ধারণাকে বদলে দিয়ে এসেছে নতুন প্রযুক্তি। এখন তালা থাকবে কিন্তু সেই তালার কোনো চাবির প্রয়োজন হবেনা। কারণ সেই এনালগ দুনিয়াকে পেছনে ফেলে ডিজিটাল যুগে নতুন প্রযুক্তি বাজারে এসেছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট লক।

নতুন এই প্রযুক্তির মাধ্যমে আপনার আঙুলের স্পর্শেই খুলে যাবে তালা। আবার দূর থেকে আপনার স্মার্টফোন ব্যবহার করেও যে কোনো স্থানে ব্যবহার করতে পারবেন এই ডিজিটাল তালাটি। সম্প্রতি কানাডার টেক ফার্ম পিশন ল্যাব নতুন এই ডিজিটাল তালাটি উদ্ভাবন করেছে। এই তালাটির নাম দেয়া হয়েছে ট্যাবলক। তবে এই তারল বেশ কিছু সুবিদা রয়েছে। ট্যাব মোবাইল ফোনের মাধ্যমে খোলা যাবে এই তালাটি। এখন থেকে আর চাটির কোন প্রয়োজন হবে। ভুল করে অফিসে চাবি ফেলে এসেছেন বা চাবি হারিয়ে গিয়েছে কোন সমস্যা নেই। রয়েছে ডিজিটাল তালা যা আপনার সবরকমের দুচিন্তার অবসান ঘটাবে।

কানাডার ওই ল্যাবটি দুধরণের ফিঙ্গারপ্রিন্ট তালা বানিয়েছে। এর মধ্যে যে তালাটির সাইজ একটু বড় সেটিতে রয়েছে টানা তিন বছর চলতে পারার মতো ব্যাটারি ব্যাকআপ। এই তালা দিয়ে আপনি আপনার ফোনেও চার্জ দিতে পারবেন। অন্য মডেলের তালাটিতে রয়েছে ছয় মাসের ব্যাটারি ব্যাকআপ। তবে এই মডেলটি দিয়ে ফোন চার্জ করার সুযোগ নেই। দুটি তালায় আপনি আপনার স্মার্টফোনের অ্যাপস দিয়ে খুলতে পারবেন। এতে সময় লাগবে মাত্র ০.৮ সেকেন্ড। এই অ্যাপটি দিয়ে আপনি অন্য ব্যবহারকারীদেরও তালা খোলার অনুমতি দিতে পারবেন। এবং অন্য ব্যবহারকারীর অনুরোধও গ্রহণ করতে পারবেন।

তবে এই তালাটির একটি বিশেষ সুবিধা হল অ্যালার্ম সিস্টেম। কেউ যদি তালাটি ভেঙ্গে বা কেটে ফেলতে চায় অথবা অন্য উপায়ে খোলার চেষ্টা করে তাহলে তালাটিতে অ্যালার্ম বেজে ওঠবে। এই তালাটির মধ্যে কােনো প্রকার পানি প্রবেশ করবেনা। তালাদুটির মধ্যে বড়টির দাম ৪৯ ডলার এবং ছোটটির দাম ২৯ ডলার।