মেইন ম্যেনু

আচরণ বিধি লংঘন হচ্ছে বাড়ছে সংঘাত-সংঘর্ষ

ফয়েজুল ইসলাম রানা, টেকনাফ : টেকনাফে ইউপি নিবার্চন বেশ জমে উঠেছে। এতে আচরণ বিধি যেমনি লংঘন হচ্ছে তেমনি বাড়ছে সংঘাত-সংঘর্ষ। টেকনাফ উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৪টির নিবার্চন ২২মার্চ ও ২টি নিবার্চন ২৭মার্চ নির্ধারণ করেছে নিবার্চন কমিশন। ৪টির নিবার্চন অতি সর্ন্নিকটে। অর্থ্যাৎ আর মাত্র ৬দিন বাকী। এ সময়ে কে কার পক্ষে ভোটারদেরকে কাছে নিয়ে আসতে পারে এ মল্লযুদ্ধে অবর্তীন হয়েছে প্রার্থীরা। নিবার্চনী এলাকা পরিদর্শনে দেথা যায়, অনেক প্রার্থী আচরণ বিধি লংঘন করে বড় বড় শো-ডাউন, বাদ্যের তালে তালে ২০/৩০টি গাড়ী নিয়ে এলাকায় এলাকায় মাইক বেধেঁ নেচে-গানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এতে যেমনি আযান, নামাজ সহ ধর্মীয় প্রার্থনায় সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষা ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্টানের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। নিবার্চন শুরু হতে এ পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসন আচরণ বিধি লংঘনের অভিযোগ কাহাকেও জরিমানা করেনি। এমনকি কোন বাধাঁ-নিষেধ করেনি বলে এলাকার সচেতন মহল জানান। এলাকায় দেখা যায়, সাদা-কালো পোষ্টার-ব্যানার প্রদর্শনের নিয়ম থাকলেও এগুলোকে উপেক্ষা করে রঙ্গিন ব্যানার-পোষ্টার লাগিয়ে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা চালাচ্ছে। খরচ করা হচ্ছে অজ¯্র টাকা। এলাকার সচেতন ভোটারেরা জানান, টেকনাফে এবার নিবার্চনী প্রায় ২৫শতাংশ প্রার্থী ইয়াবা ব্যবসায়ী, মানবপাচারকারী দালাল ও পলাতক বিভিন্ন মামলার আসামীরা প্রার্থী হয়েছেন। এরা এলাকায় প্রকাশ্যে দিবালোকে ঘুরে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে যাচ্ছে। বিপাকে পড়েছে সৎ, যোগ্য ও শিক্ষিত প্রার্থীগণ। সচেতন প্রার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, এবারে নিবার্চনী সৎ, যোগ্য ও শিক্ষিত প্রার্থীগণ বিজয় হয়ে আসতে খুবে বেগ পেতে হবে। কেন না ইয়াবা ও মানবপাচারকারী দালাল প্রার্থীদের টাকার জোয়ারে এরা ভেসে যাচ্ছে। সময় থাকতে প্রশাসন ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা তালিকা ভূক্ত ইয়াবা ও মানবপাচারকারী দালালদের বিরুেেদ্ধ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এর কু-ফল একটি সময় ভোগ করতে হবে।