মেইন ম্যেনু

আজও মৃতরা ঘোরাফেরা করে এই হাসপাতালে!

এক সময় মিলিটারিদের গোপন আস্তানা ছিল এই চাঙ্গি হাসপাতাল৷ সিঙ্গাপুরে বড় এক বাড়ির ঠিক পিছন দিকেই ছিল এক বড় অন্ধকার ঘর৷ শোনা যায়, পরাধীন সিঙ্গাপুরে জার্মান সেনা বন্দিদের উপর ভয়াবহ অত্যাচার চালাত৷ অদ্ভূত পদ্ধতিতে বন্দিদের দেওয়ালে আটকে অত্যাচার চালানো হত তাদের উপর৷

কিন্তু সময় বয়ে গিয়েছে৷ স্বাধীন হয়েছে সিঙ্গাপুর৷ আর তাই সেই পরিবর্তনের হাত ধরেই পরিবর্তন হয়েছে সেই যন্ত্রণার আখড়ার৷ স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে সেই যন্ত্রণার আখড়া পাল্টে গিয়ে হয়েছে যন্ত্রণা নিরাময় কেন্দ্র৷ অর্থাৎ হাসপাতাল৷ কিন্তু চাঙ্গি হাসপাতাল তার প্রাচীন অত্যাচারের কাহিনী যেন ভুলতে পারেনি৷ ঐতিহাসিক অত্যাচারই চাঙ্গিকে ভৌতিক আবেশে মুড়ে রেখেছে৷ তাই মানুষের জন্য চালু করেও ফের বন্ধ করে দেওয়া হয় এই হাসপাতাল৷

সকলের চোখের সামনেই সরকারি চাঙ্গি হাসপাতাল হয়ে ওঠে ‘ভুতুড়ে’৷ রোগী থেকে শুরু করে হাসপাতালের কর্মচারী বা চিকিৎসক, সকলেই কম বেশি ভৌতিক ঘটনার সম্মুখীন হতেন৷ কেউ কেউ শুনতে পেয়েছেন শিশুদের ওয়ার্ড থেকে বিকট আওয়াজ৷ কেউ আবার দেখেছে আহত জওয়ান রক্তাক্ত শরীরে হাসপাতালের করিডরে ঘুরে বেড়াচ্ছে৷ কেউ আবার দেখেছেন, অশরীরী মহিলাকে হাসপাতালের সামনে বসে কাঁদতে৷ আর ক্রমাগত এই ভৌতিক কাণ্ডকারখানা চলতে থাকায় সরকারের পক্ষ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হল এই হাসপাতাল৷

হাসপাতাল বন্ধ হলেও ভৌতিক কাণ্ডকারখানা আজও জারি রয়েছে এই হাসপাতালে৷ শোনা যায় আজও রাতে ওই হাসপাতালের করিডরে অশরীরী বৃদ্ধকে হাঁটাচলা করতে দেখা যায়৷ আজও নাকি হাসপাতালে রাতের বেলায় মৃত জওয়ানকে দেখা যায়৷ শুনতে পাওয়া যায় ভৌতিক আওয়াজ৷ আর এই ঘটনার কোনও যুক্তিপূর্ণ উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়না৷