মেইন ম্যেনু

আজকাল ঘরজামাই কারা থাকে, বুদ্ধিমানরা নাকি বোকারা?

একসময় বলা হত, বুদ্ধিমানরা নাকি ঘরজামাই থাকে না। আর এখন বলা হয়ে থাকে যারা বুদ্ধিমান তারাই নাকি ঘরজামাই থাকেন! দিনদিন এই ঘরজামাইর সংজ্ঞাটা পাল্টে গেছে।

আজকাল অনেক ছেলেই ঘরজামাই হয়ে শ্বশুরবাড়িতে উঠছে নিজের বাড়ি রেখে। কেউ কেউ তাদের অলস প্রকৃতির বললেও, কারো কারো চোখে তারাই নাকি বুদ্ধিমান। সত্যি যদি ঘরজামাই হবার মূল মজাটা জানেন, তবে আপনিও এ লোভ সামলাতে পারবেন না। তাহলে আসুন ঘরজামাই থাকার সুবিধেগুলো জেনে নিই?

১। আপনাকে রোজ সকালে ঘুম ভেঙে উঠেই নাকে-মুখে গুঁজে, ট্রেন-বাসে বাদুড় ঝোলা হয়ে অফিস যেতে হবে না। এর চেয়ে বড় শান্তি আর কী আছে!

২। বাড়িতে শুয়ে বসে সময় কাটানো এমন কিছু কঠিন কাজ নয়। বাড়িতে থাকলেই বাড়ির সব কাজ করতে হবে তার কোনও মানে নেই। শ্বশুরবাড়ির কাজের লোকেদের তদারকি করুন।

৩। স্ত্রী কাজে বেরিয়ে যাওয়া মানেই তো বাড়ি ‘শান্তিনিকেতন’। আপনিই রাজা। ‘যা খুশি’ করতে পারেন। তবে শ্বশুর-শাশুড়ির নজর বাঁচিয়ে।

৪। সাধারণভাবে গৃহবধূরা মাসে মাসে হাত খরচের টাকা পেয়ে থাকেন। এবার আপনিও সেটা পাবেন। বাড়িতে বসেই রোজগার। ভেবে দেখুন ব্যাপারটা কতটা দারুণ?

৫। ছেলে রোজগার না করলে বাবা-মা খিটখিট করেন। কিন্তু জামাই সব সময়েই গর্বের। অতএব চিন্তা নেই। আগে বেশ কিছুদিন উপভোগ তো করে নিন।

৬। অফিস সামলে বন্ধুদের সঙ্গে ঠেক মারতে যাওয়া কঠিন। এখন বন্ধুদের শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নিন। চা-বিস্কুট সহযোগে আড্ডা জমে উঠুক।

৭। এতদিন স্ত্রী শপিং করে করে আপনার পকেট ফাঁকা করেছে। ঘরজামাই হয়ে বউয়ের পার্স ফাঁকা করে দিন। নিষেধ করলে মনে করিয়ে দিন উপার্জনশীল স্বামীরা বউদের আবদার পূরণ করতে বাধ্য থাকেন।

৮। এখন মাল্টিপ্লেক্সে সপ্তাহের ব্যস্ত দিনে টিকিটের দাম কম হয়। মর্নিং শোয়ে আরও কম দাম। সুতরাং স্ত্রী কাজে বেরিয়ে গেলে সকাল সকাল সিনেমা দেখতে চলে যান। উপভোগ করুন দারুণ দারুণ ছবি।