মেইন ম্যেনু

আজব ঘটনা, মৃত ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে চিকিৎসা!

মৃত ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে চিকিৎসা! এটা কি করে সম্ভব? হ্যাঁ, সম্প্রতি এমনই একটি প্রেসক্রিপশন সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। ছড়িয়ে পড়েছে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের টাইমলাইনে।

এমন আজব ঘটনা দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার।

জানা গেছে, দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার নুরন্নবী নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসা ব্যবস্থা দিয়ে থাকেন। এ জন্য তিনি অনুসরণ করেন তার পিতা মৃত মোক্তার মজিদকে। যে কারণে প্রেসক্রিপশনটি ছড়িয়ে পড়েছে সোশাল মিডিয়ায়।

জানা গেছে, মোক্তার মজিদ নামের ওই ব্যক্তি এলাকায় বেশ জনপ্রিয় চিকিৎসক ছিলেন। তার ছেলেই নুরুন্নবীচিকিৎসা ব্যবস্থা দিয়ে থাকেন।

নিজের নাম প্রেসক্রিপশনে ছোট করে লিখলেও বাবার নাম লেখেনবড় করে। নামের সামনে মৃত শব্দটিও যুক্ত করে দেন তিনি। ডা. নুরন্নবীকে স্থানীয়রা প্রিন্স নামে চেনেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নবাবগঞ্জের কয়েক ব্যক্তি জানান, রোগ নিধন ফার্মেসিতে মোক্তার মজিদ ডাক্তার সাহেব বসতেন। তিনি এলাকায় বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। সে সময় কোনো ডাক্তার আশপাশে ছিল না। মোক্তার সাহেব স্থানীয়দের চিকিৎসাসেবা দিতেন। প্রচলিত আছে- মানুষ তার কাছে এলেই রোগ থেকে দ্রুত সেরে উঠতেন।

জানা গেছে, মোক্তার মজিদের মৃত্যুর পর সেখানে ডাক্তার নুরন্নবী (প্রিন্স) বসেন। তবে নিয়মিত না। মাঝে মাঝে বসেন তিনি।

প্রেসক্রিপশনে পিতার নাম কেন ব্যবহার করেন এমন প্রশ্নের কারণ হিসেবে প্রিন্সের কাছের একজন জানান, বাবার নাম ছাড়া প্রিন্সকে কেউ চিনবে না। এ জন্যই হয়তো তিনি বাবার নাম ব্যবহার করেন।

সূত্রটি জানায়, নবাবগঞ্জ বাজারের ব্রিজের কাছে নিউ মার্কেটের ‌‘রোগ নিধন ফার্মেসি’ ডাক্তার মোক্তার মজিদ চালাতেন। তিনি প্রায় চার বছর আগে মারা যান। পরে ছেলে প্রিন্স হাল ধরেন। কিন্তু ফার্মেসিটি চালাতে তিনি ব্যর্থ হলে আফতাব নামে এক ব্যক্তির কাছে লিজ দেন।