মেইন ম্যেনু

মিতু হত্যা : আটক গুন্নু-রবিন জড়িত কি না নিশ্চিত নয় পুলিশ

CTG NEWS PIC (2)

আটক গুন্নু ও রবিন

একাধিক কমিটি গঠন, তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন, সন্দেহভাজন গ্রেফতার মাজারের খাদেম গুন্নু ও কারাগারে বন্দি জেএমবি সদস্য বুলবুল এবং আটক শাহ জামান রবিনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পরও এসপি বাবুল আক্তারের সহধর্মিণী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার কূলকিনারা করতে পারছে না পুলিশ।

এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে সিএমপি কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে কমিশনার ইকবাল বাহার বলেন, ‘আটক আবু নছর গুন্নু ও রবিন মিতু খুনের ঘটনায় ও জড়িত কি না এ বিষয়ে আমরা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারেনি।’

‘তাদের সাত দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৩ দিন পার হয়েছে। আরও ৪ দিন তারা পুলিশের হেফাজতে থাকবে। এ ঘটনায় তাদের কাছ থেকে তথ্য আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কোনো তথ্য পাওয়া গেলে আপনাদের জানাতে পারব। অনেক কিছু আমাদের হাতে আছে সেগুলো মেলানো হচ্ছে’, যোগ করেন তিনি।

মিতু হত্যার তদন্তে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি স্বীকার করে করে সিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমাদের হাতে সম্ভাব্য যত অপশন আছে সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনো অপশন আমরা খালি রাখছি না। তদন্তকাজ দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

তদন্তে জনসাধারণর সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, ‘জনসাধারণের প্রতি বলব, আমাদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন। পর্যাপ্ত তথ্য পেলে এ ধরনের ঘটনা মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।’

জানা গেছে, কারাগার থেকে পাঠানো জঙ্গিদের একটি চিঠির সূত্র ধরে কারাবন্দি জেএমবি সদস্য বুলবুলকে পুলিশ বাকলিয়া থানার একটি মামলায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

অপরদিকে, একই সময়ে মিতু হত্যার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে হাটহাজারী থেকে গ্রেফতার মাজারের খাদেম আবু নছর গুন্নুকে রিমান্ডে নিয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ১২ জুন দুজনকে ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এর আগে সন্দেহভাজন মূল খুনি হিসেবে শাহ জামান রবিনকে ১১ জুন রাতে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার শীতলঝর্ণা আবাসিক এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত ৫ জুন সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় নগরীর ও আর নিজাম রোডে দুর্বৃত্তদের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত ও গুলিতে নিহত হন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদী হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি মামলা করেন।