মেইন ম্যেনু

আত্মঘাতী গোলে হারল বাংলাদেশ

৯০ মিনিটের খেলা শেষ। স্কোর, বাংলাদেশ ১, নেপাল ১। ইনজুরি টাইম দেওয়া হলো চার মিনিট। সবাই ধরেই নিয়েছিল, ম্যাচটি ড্র হতে যাচ্ছে। কিন্তু ইনজুরি টাইমের শেষ দিকে নেপালের খেলোয়াড় বিশ্বাসকে ফাউল করেন বাংলাদেশের টুটুল। রেফারি টুটুলকে হলুদ কার্ড দেখিয়ে নেপালকে ফ্রি কিক উপহার দেন। ফ্রি কিক থেকে উড়ে আসা বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই জড়িয়ে দেন বাংলাদেশ দলের ইমন।

মাঠের উপস্থিত হাজার দশেক দর্শক হর্ষধ্বনিতে মাঠ কাঁপিয়ে তোলে। নেপালের খেলোয়াড়রা উল্লাস করতে করতে মাঠের মাঝখানে চলে যায়। বিমর্ষ হয়ে পড়ে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক নেপালের কাছে ২-১ গোলে হার মেনেছে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের দুটিতেই জিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে নেপাল। বাংলাদেশও অবশ্য গ্রুপ রানার্স আপ হয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে।

ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ গোলের সমতার মাধ্যমে। যেখানে প্রথমে লিড নেয় বাংলাদেশ। ম্যাচের ১১ মিনিটে রোহিত সরকারের গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ (১-০)। তবে বেশিক্ষণ এগিয়ে থাকতে পারেনি লাল-সবুজের জার্সিধারীরা। ম্যাচের ১৮ মিনিটে পেনাল্টি পায় নেপাল। নেপালের অঞ্জল বিস্তা পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান। সেই সমতা নিয়েই শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।

দ্বিতীয়ার্ধের নির্ধারিত ৪৫ মিনিটে আর কোনো গোল হয় না। কিন্তু ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে আত্মঘাতী গোলে হেরে যায় লাল-সবুজের জার্সিধারীরা।

প্রথম ম্যাচে নেপাল ৩-১ গোলে হারায় ভুটানকে। আর বাংলাদেশ ২-০ গোলে হারায় ভুটানকে। শক্তিমত্তায় নেপাল ও বাংলাদেশ সমশক্তির দল। কিন্তু ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় নেপাল খানিকটা সুবিধা পাচ্ছে।