মেইন ম্যেনু

আত্মঘাতী জঙ্গি সাইফুলের বাবা খুলনার স্থানীয় জামায়াত নেতা

মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় আত্মঘাতী জঙ্গি সাইফুল ইসলামের বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার সাহস ইউনিয়নের নোয়াকাঠি গ্রামে। সে স্থানীয় মসজিদের ইমাম আবুল খয়েরের ছেলে। আবুল খায়ের সাহস ইউনিয়ন জামায়াতের কোষাধ্যক্ষ।

খুলনার ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাবিল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সকালে সাইফুলের মৃত্যুখবর পাওয়ার পর থানার এক নথিতে এক সাইফুল ইসলামের নাম পাওয়া যায়। এরপর তার ঠিকানা ধরে আবুল খয়েরকে থানায় ডাকা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার ছেলে সম্পর্কে জানার চেষ্টা করা হয়।

এ সময় প্রাপ্ত তথ্যে নিহত সাইফুলের সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, সাইফুল নোয়া কাঠির আবুল খয়েরের’ই ছেলে। আবুল খয়েরের বরাত দিয়ে ওসি জানান, খয়ের সাহস নোয়াকাঠি মাঠেরহাট জামে মসজিদের ইমাম। তিনি একজন হাফেজ আবার জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। আবুল খয়ের সাহস ইউনিয়ন জামায়াতের কোষাধ্যক্ষ।

ওসি আরও জানান, তার ছেলে সাইফুল ইসলাম সরকারি বিএল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র। সে খুলনার নেভি কলোনিতে থাকত। সপ্তাহে সপ্তাহে নোয়াকাঠির বাড়িতে আসত। গত ৭ আগস্ট কাজ করার উদ্দেশ্যে সে খুলনা থেকে ঢাকায় যায়। যাওয়ার আগে সে নোয়াকাঠির বাড়ি ঘুরে গিয়েছিল। ঢাকায় যাওয়ার পর সর্বশেষ গত রবিবার সাইফুল বাড়িতে যোগাযোগ করেছিল। সে সময় জানিয়েছিল সে সোমবার বাড়িতে আসছে। কিন্তু সোমবার বাড়িতে আসেনি। মঙ্গলবার তার আত্মঘাতির সংবাদ পাওয়া যায়। খয়েরের উদ্ধৃতি দিয়ে ওসি আরও জানান, জামায়াতের রাজনীতি করা নিয়ে সাইফুলের সঙ্গে খয়েরের মতবিরোধ ছিল।

নোয়াকাঠির বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানান, আবুল খয়ের তার প্রতিবেশী। জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে নোয়াকাঠি মোল্লাপাড়া জামে মসজিদের ইমাম পদ থেকে খয়েরকে চাকরিচ্যুৎ করা হয়েছিল। এরপর খয়ের মাঠেরহাট জামে মসজিদে ইমামতি করতেন।






মন্তব্য চালু নেই