মেইন ম্যেনু

আত্রাইয়ে কয়েন নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ী ও জনসাধারণ

নওগাঁর আত্রাইয়ে বিভিন্ন হাট-বাজারসহ এলাকার বিভিন্ন ছোট বাজারে হঠ্যাৎ কয়েন বা রেজগী পয়সা লেলদেন বন্ধ, না চলার গুজব, বিপাকে এলাকার জনসাধারণ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশ থেকে সকল প্রকার কয়েন বা রেজগী ব্যান্ড করে দিয়েছে বলে গুজব উঠেছে।

এর ফলে এখন সর্বস্তরের মানুষ হঠ্যাৎ কয়েন বা রেজগী পয়সা আদান প্রদান বন্ধ করে দিয়েছে। আর বিপাকে পড়েছে বেশির ভাগ খুচরা পয়সা লেনদেন কারী প্রতিষ্ঠান। যেমন বেকারী, চা-পানসহ ছোট ছোট ক্ষুদে ব্যবসার সাথে জড়িতরা।

উপজেলার সাহেবগঞ্জ বাজার মুদির দোকানদার বাবু জানান, সারা সপ্তাহ বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি শেষে কয়েন জমা হলে সে কয়েন কেউ নিতে চাচ্ছেনা। এভাবে তার কাছ থেকে গ্রহণ করা কয়েলের পরিমান প্রায় ৩০ হাজার টাকার মত হয়ে গেছে কিন্তু পয়সাগুলো চালাতে পারছিনা। পয়সাগুলো কাষ্টমারের কাছ থেকে আমরা গ্রহন করলেও আমাদের মহাজনরা নিতে চাচ্ছেনা।

কারনটা নাকি ব্যাংকে খুচরা টাকা বা পয়সা গ্রহণ করছেনা এবস্থায় বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছি। উপজেলা নিউ মার্কেট মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ী জামিন হোসেন জানান, কাষ্টমার মোবাইল রিচার্জ করে বিভিন্ন অংকের। কোম্পানীর অফার অনুযায়ী বেশীর ভাগ গ্রাহক ২১, ২৯, ৩১ টাকা রিচার্জ করে এ ক্ষেত্রে রেজগী পয়সা লেনদেন করতে হয় কিন্তু এই পয়সা ও খুচরা ৫ টাকার নোটও নিচ্ছেনা কোম্পানীর লোক।

বলছে ঐ একই কথা ব্যাংকে নিচ্ছেনা। তাহলে আমরা কি করব। অপর দিকে যানা যায়, এলাকার বিভিন্ন ছোট বাজারে যেমন বান্দাইখাড়া বাজারেও কয়েন বা রেজগী চলছেনা বলে যানা যায়। বান্দাইখাড়া বাজারের গোপেস্বর জানান, বাজারে কোন রেজগী চলছেনা। আমার কাছে অনেক রেজগী রয়েছে। যা আমাদের মহাজন ও ব্যাংক নিতে চায়না। সেজন্য আমরাও রেজগী নিচ্ছিনা।

একাই অভিযোগ বান্দাইখাড়া বাজারের অনেক দোকানদারের। তবে কয়েন না নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন সোনালী ব্যাংক আত্রাই শাখার ম্যানেজার আকতারুজ্জামান। তিনি বলেন, এটা শুধুই গুজব। কয়েন বা রেজগী চলবেনা এ ধরনের কোন ঘোষনা সরকারের দায়িত্বশীল কেউ দেয়নি।

অতএব কয়েন না চলার প্রশ্নই আসেনা। আমরা নিয়মিত ভাবে লেনদেন চালিয়ে যাচ্ছি। তবে এমন গুজবের কথা এলাকার লোকের মুখে শুনেছি।

আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী কারবারীদের অভিযোগ ১ টাকা, ২ টাকা ও ৫ টাকাসহ সকল প্রকারের কয়েন বা রেজগী পয়সার পাশাপাশি এ অংকের নোটগুলো নিতে টালবাহানা করছে ব্যাংগুলো। কয়েন নিয়ে এলাকায় এ ধরনের অভিযোগের শেষ নেই। এলাকার জনসাধারণ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এ সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।