মেইন ম্যেনু

আদালতে যাচ্ছেন না খালেদা

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের দুর্নীতির দুই মামলায় হাজিরা দিতে বৃহস্পতিবার আদালতে যাচ্ছেন না বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার অনুপস্থিতিতে আদালতে মামলার শুনানি চলছে।

চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) বিশ্রামে আছেন। সেজন্য তিনি আদালতে যেতে পারেননি।

রাজধানীর বকশীবাজারের কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের আদালতে বৃহস্পতিবার খালেদার হাজিরা দিন ধার্য ছিল।

এর আগে ৩ আগস্ট খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট-সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলার বাদী ও প্রথম সাক্ষী দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর রশিদকে জেরা করা হয়। পরে মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য ১০ আগস্ট দিন ধার্য করেন আদালত। সেদিনও খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে আদালতের বিচারিক কার্যক্রম চলে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার প্রাক্তন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তৎকালীন সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকার প্রাক্তন মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক।

খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া এ মামলার অপর আসামিরা হলেন- মাগুরার প্রাক্তন সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রাক্তন সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগনে মমিনুর রহমান।