মেইন ম্যেনু

আপনার বন্ধুত্বের গল্প বলুন জুকারবার্গকে

এই ফেব্রুয়ারিতে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের এক এক ‍যুগ পূর্তি হবে। মার্ক জুকারবাগ কলেজে পড়াকালীন বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ফেসবুক তৈরি করেছিলেন। জুকারার্গের সেই ফেসুবক এখন সারা পৃথিবী ব্যাপী যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে রাজত্ব করছে।

বর্তমানে সারা পৃথিবীতে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা দেড়শ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। নিঃসন্দেহে ব্যাপারটি জুকারবার্গের কাছে আনন্দের। ফেসবুক নির্মাতা ও সিইও মার্ক জুকারবার্গ তার এই আনন্দকে সবার সাথে ভাগাভাগি করতে নিজের ফেজবুক ভেরিফাইড পেইজে একটি বার্তা দিয়েছেন। এই খুশির দিন উপলক্ষে ফেসবুক ব্যবহারকারীর বন্ধুত্বের গল্প শুনতে চেয়েছেন তিনি।

ফেসবুকে একসাথে এক যুগ পালন করাকে তিনি একটি সাফল্য হিসেবে দেখছেন। বন্ধুত্ব নিয়ে তিনি মনের ভাব প্রকাশ করেছেন তার বার্তায়। বার্তায় তিনি লিখেছেন, ফেব্রুয়ারির ৪ তারিখ ফেসবুকের ১২তম জন্মদিন। আমাদের বার্ষিকী আমার কাছে তাৎপর্যপূর্ণ এই জন্য যে আমরা একসাথে কতদুর পর্যন্ত পথ চলেছি তা দেখার একটি সুযোগ হিসেবে ফেসবুক বন্ধুদের কাছে তাদের বন্ধুত্বের গল্প শুনবো।’

জুকারবার্গ আরও লিখেছেন, ‘২০০৪ সালে আমি যখন প্রথম কোড লিখি ফেসবুকের জন্য তখন আমি আশা করেছিলাম এটা আমার কলেজের শিক্ষার্থীদের একসাথে রাখতে এবং যোগাযোগ করতে সহায়তা করবে। বর্তমানে সারা পৃথিবীতে দেড়শ কোটি লোক ফেসবুক ব্যবহার করছে বন্ধু এবং প্রিয়জনদের সাথে যোগাযোগের জন্য।

ফেসবুকের বন্ধুত্ব, ভালোবাসা এবং দয়া সবকিছুই আমরা ফেসবুকে শেয়ার করছি। প্রতিদিন ফেসবুক কিভাবে পৃথিবীকে বদলে দিচ্ছে তা আমরা নির্ণয় করতে পারবো না। মাঝে মাঝে তারা আমাদের জীবনে আরও ভালোবাসা সৃষ্টি করে। মাঝে মাঝে বন্ধুত্ব নতুন পথের সৃষ্টি করে বাধা সৃষ্টি করে। মাঝে মাঝে বন্ধুত্ব নিজস্ব পৃথিবী বদলে দেয়।

আমি আশা করবো ফেব্রুয়ারির ৪ তারিখ আপনিও আমার সাথে যোগ দিবেন #friendsday। এটি এমন একটি মুহূর্ত আমাদের বন্ধুত্ব উদযাপনের যা আমাদের ভিন্ন আনন্দ দেবে। আপনার যদি কোন গল্প থাকে বন্ধুত্বের আমি তা শুনতে পছন্দ করি। অনুগ্রহপূর্বক আপনি আমার বার্তার নিচে কমেন্ট লিখুন এবং আমি চেষ্ঠা করবো সাধ্যমতো সর্বাধিক কমেন্ট পড়ার।

তো আপনিও আপনার বন্ধুত্বর গল্প লিখে ফেলুন মার্ক জুকারবার্গের বার্তার কমেন্টে।

জুকারবার্গেরে ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/zuck?fref=ts