মেইন ম্যেনু

আপনার শিশুর পরীক্ষাভীতি দূর করুন ৭টি কৌশলে

“পরীক্ষা” নাম শুনলে আঁতকে উঠে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার! আর তা যদি শিশুদের হয়, তবে তো কোন কথাই নেই। পরীক্ষার সময়টিতে চিন্তায় খাওয়া দেওয়া ছেড়ে দিয়ে থাকে শিশুরা। যার ফলশ্রুতিতে পরীক্ষার সময়টিতে বাচ্চারা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই এইসময় বাচ্চাদের প্রতি একটু বেশি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। পরীক্ষার সময় বাচ্চাদের চিন্তা কমানোর কিছু কৌশল বলে দিয়েছে boldsky, .nhs.uk, .panchamithra.in।

১। পড়ার পরিবেশ তৈরি করুন
সাধারণ সময়ে বাসায় যেমন পরিবেশই হোক না কেন, পরীক্ষার সময়টিতে কোলাহলমুক্ত একটি শান্ত পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা করুন। এতে করে শিশুটি পড়ায় সম্পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারবে।

২। খাবারের দিকে লক্ষ্য রাখুন
পরীক্ষার চিন্তায় বাচ্চারা খেতে চায় না। অথচ এই সময়টিতে বাচ্চাদের সবচেয়ে বেশি পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার প্রয়োজন। অনেক বাবা মায়েরা এই সময় বাচ্চার পছন্দের খাবার যেমন চিপস, বার্গার, পিজ্জা, চকলেট ইত্যাদি জাংক ফুড দিয়ে থাকেন। এই খাবারগুলো তাদেরকে খিটখিটে, মুডী এবং বদমেজাজী করে তোলে। এই খাবারগুলোর পরিবর্তে তাদেরকে শাক সবজি এবং ফল খেতে দেওয়া উচিত।

৩। বিরতি দিন
একনাগাড়ে পড়া তার মধ্যে বিরক্তি উৎপন্ন করে দেয়। পড়ার মাঝে কিছুক্ষণ বিরতি দিন। এই সময়টি তার সাথে খেলা করুন, গল্প করুন, তাদের সাথে সময় কাটান। এটি তার পরীক্ষা নিয়ে চিন্তা হ্রাস করতে সাহায্য করবে।

৪। ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করুন
আপনি যখন আপনার বাচ্চার পরীক্ষা নিয়ে ইতিবাচক চিন্তা করবেন, তার প্রভাব তার মধ্যেও পড়বে। “তুমি পারবা” এই ছোট একটি কথা তার পরীক্ষা ভীতি অনেকাংশ কমিয়ে দিবে।

৫। অতিরিক্ত প্রত্যাশা করা
আপনার শিশুর কাছ থেকে অতিরিক্ত প্রত্যাশা করবেন না। তার ক্ষমতা সম্পর্কে জানুন এবং বুঝুন। ভাল রেজাল্ট করার জন্য উৎসাহ দিন, কিন্তু চাপ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৬। পর্যাপ্ত ঘুমের নিশ্চিত করুন
ভাল ঘুম আপনার সন্তানের মনোযোগ বৃদ্ধি করে থাকে। ৮ থেকে ১০ ঘন্টা ঘুম নিশ্চিত করুন। পরীক্ষার আগের রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর ব্যবস্থা করুন। সারা রাত পড়া কখনও কোন ভাল চিন্তা হতে পারে না।

৭। পরীক্ষা শেষের পর ট্রিট দিন
পরীক্ষার শেষ হবার পর বাচ্চাকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যান। অথবা পছন্দের কোন রেস্টুরেন্ট থেকে খেয়ে আসুন। এই কাজগুলো তার পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করবে।
আপনার শিশুর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করুন। এতে করে সে তার সব সমস্যা আপনার সাথে শেয়ার করতে পারবে।