মেইন ম্যেনু

‘আপরাধ ঠেকাতে আসছে আইএসএস পদ্ধতি’

ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, তথ্য প্রযুক্তি অপরাধ ঠেকানোর জন্য আসছে ইন্টার সেফটি সলিউশন সিস্টেম (আইএসএস) পদ্ধতি এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে আনা সম্ভব।

বর্তমানে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (বিটিআরসি) থেকে বাংলাদেশ কম্পিউটার সিকিউরিটি ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম (বিডিসিএসআইআরটি) নামে একটি টিম গঠন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে ইন্টারনেটভিত্তিক অপরাধ দমনে সহায়তা করা হচ্ছে।

রোববার সকালে দশম জাতীয় সংসদের একাদশতম অধিবেশনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মো. রুস্তম আলী ফরাজীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য দেন।

তিনি জানান, এনটিএমসি এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আসা রাষ্ট্র-সমাজবিরোধী ও ধর্মবিরোধী কনটেন্ট আইআইজি’র মাধ্যমে বন্ধ করা হয়ে থাকে। সাধারণ জনগণের অভিযোগের ভিত্তিতে আপত্তিকর কনটেন্ট আইআইজি’র মাধ্যমে বন্ধ করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী জানান, তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজরদারি নিশ্চিত করা জন্য অধিকতর শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে ইন্টার সেফটি সলিউশন সিস্টেম ক্রয় প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের সহায়তায় বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ১১ কোটি ৬০ লাখ সিমের যাচাই সম্পন্ন করেছি। তিনি বলেন, কিছু সংখ্যক বিবেকবর্জিত লোকের জন্য আমাদের প্রচেষ্টা নস্যাৎ হতে পারে না। পুলিশ সম্প্রতি অন্য নামে সিম পুনঃনিবন্ধন করা ১৩টি প্রিএকটিভেটেড সিম আটক করেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকায় ৭ জন খুচরা বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে।

তারানা হালিম বলেন, তারা বাজারে প্রিএকটিভেটেড সিম অন্য কারো নামে পুনঃনিবন্ধন করলে সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে সিম প্রতি ৫০ ডলার করে জরিমানা দিতে হবে। বাজারে কোন প্রিএকটিভেটেড সিম থাকবে না। যদি এ ধরনের কোন সিম পাওয়া যায় তবে সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে অবশ্যই জরিমানা গুণতে হবে। কোন স্বার্থান্বেষী মহল অন্য উপায়ে গ্রামের সাধারণ লোকদের সিম ভিন্ননামে নিবন্ধন করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি জানান, প্রিএকটিভেটেড সিমের জন্য আগামী সপ্তাহ থেকে পুলিশী অভিযান চালাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানাবেন।