মেইন ম্যেনু

আপু আমি মেয়ে হয়ে একদিনে ৬-৮ জনের সাথে…

আমি অন্য সবার মতো আমারে নাম কিংবা পরিচয় গোপণ রাখতে বলবো না কারণ আমি চাই সবাই আমার সম্পর্কে জানুক, আর জানবেই না কেন,এগুলো আমি ত জানানোর জন্যই লিখছি,আমার ফ্যামিলি তে সদস্য সংখ্যা মোট পাঁচ জন, আমরা দুই বোন এক ভাই।

বাবা মা, আমার অশান্তি শুরু ছোটবেলা থেকেই,আমার বাবা একজন ব্যবসায়ী মা চাকুরীজীবী, আমরা ভাই বোনেরা কখনো তাদেরকে ঠিকমতো পাইনি, মা নিজস্ব স্বকীয়তা বজায় রেখে চাকরি করার কারণে সবসময় বাবার নির্যাতনের শিকার হতো।

আমার বড় আপা এক ছেলের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলো কিন্তু সেই ছেলে আমার আপার মতো সহজ সরল মেয়েকে ভালোবাসার ফাঁদে ফেলে ব্যাপক ধোকা দিয়েছে, এরপর থেকে আমি কোন ছেলেকেই সহ্য করতে পারিনা, আমরা মেয়েরাই কি শুধু ছেলেদের হাতের পুতুল হয়ে থাকবো

হ্যাঁ আমি সত্য কথা বলছি স্কুল লাইফ থেকে এই পর্যন্ত আমি অনেক ছেলের সাথেই প্রেম করেছি সর্বমোট সেঞ্চুরী হবে আর কি, সবাইকে ধোকা দিয়ে ছেড়ে দিয়েছি, আপু আমি মেয়ে হয়েই একদিনে ছয় থেকে আটজন ছেলের সাথে ডেটিং করেছি তাই বলে নিজের সতীত্ব কে বিসর্জন দেইনি, এমনও দিন গেছে যে সকালে একজনের সাথে ডেটিং করে দুপুরে একজনের সাথে আবার বিকেলে আরো দুইজনের সাথে আবার রাতে আরো দুইজনকে অপেক্ষায় রেখেছি.

কিন্তু আপু আমি আর পারছি না,দিনে দিনে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছি,এ কেমন খেলায় মেতে উঠেছি আমি,আমি জানিনা এই খেলার শেষ কোথায়,আপু নিজেকে আবার বিরত রাখতে পারছি না কারণ ওরা সবাই আমাকে চাই.

আমিতো কাওকে জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করতে পারবো না,কেও তো আমার অতীত জেনে আমাকে নিতে চাইবে না,আর আমার বিয়ে করার কোন ইচ্ছে ছিলো না তবুও আমার আম্মু আমাকে ভীষণ চাপ দিচ্ছে আমি স্বাভাবিক হয়ে বিয়ে না করলে উনি আত্বহত্যা করবে.

এখন আমাকে কিছু একটা বলেন যেন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারি কারণ আমি আর আমার আম্মুকে কোন কস্ট দিতে চাইনা

পরামর্শঃ
রিধি তোমার বিশাল চিঠি এখানে সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরলাম, তোমার ফ্যামিলি থেকে শুরু করে তোমার ব্যক্তিগত জীবনের যে ঘটনাগুলো পর্যায়ক্রমে তুলে ধরেছো সেটা পড়ে আমি বুঝলাম তুমি মোটেও সুস্থ নও, বিয়েতো পরের কথা সর্বপ্রথম তোমার মানসিক সুস্থতা প্রয়োজন, আমি তোমাকে একজন মানসিক বিশেষজ্ঞের ঠিকানা দিচ্ছি, অধ্যাপক ডাক্তার আনোয়ারা বেগম, বারডেম বিশেষজ্ঞ চেম্বার কমপ্লেক্স,থার্ড ফ্লোর, শাহবাগ ঢাকা, রবি থেকে বুধবার বিকাল তিনটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা, তুমি এখানে গেলে উপযুক্ত চিকিৎসা পাবে এবার তোমার মন শান্তন্ত হলে পরবর্তীতে সবকিছুই ঠিক হয়ে যাবে। ধন্যবাদ

বি:দ্র: আমরা শুধুমাত্র মানুষিক শক্তির জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকি। আইনগত সহযোগীতার জন্য অবশ্যই বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও আদালত আছে। সমস্যা অতি গুরুতর হলে সেখানে গেলে আপনি অবশ্যই আইনি সহায়তা পাবেন.

তথ্যসুত্রঃ ভিন্ন.কম