মেইন ম্যেনু

‘আবদুল কালাম মামুলি বিজ্ঞানী ছিলেন’

ভারতের ১১তম রাষ্ট্রপতি এ পি জে আবদুল কালামের মৃত্যুতে সারা বিশ্বের মানুষ শোকাহত। ভারতে ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে, মঙ্গলবার সরকারি ছুটিও ছিল। মাঝির ছেলে থেকে ‘জনতার প্রেসিডেন্টে’ পরিণত হওয়া আবদুল কালাম পরমাণুবিজ্ঞানী হিসেবে বিশ্বে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন তিনি।

কিন্তু ‘মিসাইলম্যান’ খ্যাত প্রয়াত আবদুল কালামের অর্জনকে অবজ্ঞা করলেন প্রতিবেশি পাকিস্তানের পরমাণুবিদ আবদুল কাদির খান। তিনি তাকে ‘সাধারণ’ এক বিজ্ঞানী বলে আখ্যায়িত করলেন। পরমাণু বিষয় নিয়ে আগে থেকেই চিরবৈরি দুদেশের এ দুই বিজ্ঞানীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলত। আর সেই কারণেই একজন প্রয়াত প্রখ্যাত পরমাণুবিজ্ঞাণীর অর্জনকে খাটো করে দেখার প্রয়াস দেখালেন তিনি।

মঙ্গলবার বিবিসিকে দেওয়া এক স্বাক্ষাৎকারে কাদির খান বলেন, মহাকাশ সংক্রান্ত পদার্থবিদ্যা, ক্ষেপণাস্ত্র বা উপগ্রহ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কালামের তেমন কোনো বড় অবদানের কথা মনে করতে পারছি না।

এছাড়া আবদুল কালামের রাজনৈতিক জীবন নিয়েও মন্তব্য করেছেন তিনি। তার দাবি, বিজেপি মুসলিম ভোট টানতেই তাকে ২০০২ সালে কালামকে রাষ্ট্রপতি করেছিল। রাশিয়ার বড় সহায়তার জোরেই ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সফল হয়েছে বলেও খোঁচা দেন পাকিস্তানের এ পরমাণুবিজ্ঞানী।
গত সোমবার আবদুল কালাম মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ে একটি অনুষ্ঠান বক্তব্য দিতে দিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেখানকার একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এদিকে আবদুল কালামের মরদেহ আজ বেলা আড়াইটার দিকে তার জন্মস্থান তামিলনাড়ুর উপকূলসংলগ্ন রামেশ্বরমে পৌঁছেছে। তার মরদেহ গ্রহণ করেন তামিলনাড়ু রাজ্যের মন্ত্রীরা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার রামেশ্বরমে তাকে সমাহিত করা হবে।

তথ্যসূত্র : টাইম অব ইন্ডিয়া, হিন্দুস্থান টাইমস।