মেইন ম্যেনু

আবহাওয়া অণুকূলে থাকলে শরিষার বাম্পার ফলন হবে কলারোয়ায়

ধান,পাট সহ বিভিন্ন প্রকার কৃষি পণ্যে অব্যহত লোকসানের ফলে সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়ার কৃষকেরা এবারের মৌসূমে ব্যাপকভাবে শরিষার চাষ করেছেন। শরিষার যেমন ফলন বেশী তেমনি দাম ও বেশী, শুধু তাই নয় শরিষা চাষে খুব বেশী খরচ ও করতে হয় না চাষীদের।

কলারোয়ার বিভিন্ন এলাকার দিগন্ত বিস্তুৃত মাঠে হলুদ শরিষা ফুলে নয়নাভিরাম দৃর্ষ্যরে অবতারণা হয়েছে। আর এর সাথে যোগ হয়েছে হাজার হাজার মৌ বাক্সের। হলুদ শরিষার ফুল,লক্ষ লক্ষ মৌমাছির গুনজন, ফুলে মৌ মৌ গন্ধ সব মিলিয়ে কলারোয়ার মাঠে এক সর্গীয় পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। প্রতিদিন শত শত মানুষ আসছেন এ দৃর্ষ্য উপভোগ করার জন্য। ছবি তুলছেন শরিষা ক্ষেতে দাড়িয়ে।

কলারোয়া উপজেলা কৃর্ষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মহাসীন আলী জানান, শরিষা চাষে এবারের মৌসূমে কোন লক্ষ্য মাত্রা ছিল না। তবে চাষীরা নিজেরাই যে চাষ করেছেন তার পরিমান প্রায় ৩ হাজার হেক্টর। তিনি আরো জানান, আবহাওয়া যদি অণূকূলে থাকে তাহলে এবারের মৌসূমে কলারোয়া উপজেলায় শরিষার বাম্পার ফলন হবে।

চাষীরা উবশী, বারী -১৪ ও বারী -১৫ জাতের শরিষা চাষ করেছেন। বিঘাপ্রতি ৬ থেকে ৭ মন করে শরিষার উৎপাদণ হবে বলে ধারনা করছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। যদি এবারো শরিষার বাজার মূল্য ঠিকঠাক থাকে তাহলে কৃষকেরা ব্যাপক লাভবান হবেন বলে অনেক কৃষকেরা আশায় বুক বেধেছেন।
শরিষার চাষের সাথে এবারের মৌসূমে যোগ হয়েছে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত কয়েক হাজার মৌ বাক্সের। মৌয়ালরা কলারোয়ার কাকডাঙ্গা, বোয়ালিয়া,লোহাকুড়া, চেড়াঘাট, সোনাবাড়িয়া সহ বিভিন্ন এলাকার শরিষা ক্ষেতের পার্শে¦ কয়েক হাজার মৌ বাক্স বসিয়েছেন। এ থেকে এক দিকে যেমন উৎপাদন হবে কয়েক টন মধু অন্য দিকে শরিষার ফলন ও বেশী হবে।

আগামী মৌসূমে বেশী বেশী করে মৌ বাক্স এনে মধু আহরণ এবং কম খরচে অধিক ফলন এবং লাভবান হওয়ার জন্য বেশী বেশী করে শরিষা চাষ করার জন্য কলারোয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চাষীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।