মেইন ম্যেনু

আবারও ইবোলা আতঙ্ক! সাবধান থাকুন সবাই

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ইবোলা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন তিন জন। এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে আক্রান্তের সংখ্যা ৯। আর এই সূত্র ধরেই ফের ফিরছে ইবোলা আতঙ্ক।

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে তিন জনের মৃত্যুর পরই এই রোগকে মহামারি ঘোষণা করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু। তাদের দাবি, রোগের সূত্রপাত জ্বর দিয়ে।

তবে সঙ্গে উপসর্গ দেখা দিচ্ছে চোখ-নাক-মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ, গায়ে ব্যথা, মাথার যন্ত্রণা আর পেট খারাপ। এভাবে কিছুদিন চলার পরই মৃত্যু। রোগের নাম ইবোলা ভাইরাস ডিজিজ (ইভিডি)। ইবোলা ভাইরাস এতটাই সংক্রামক যে সামান্য হাঁচি বা কাশি থেকেই তা অন্যদের দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে। সংক্রমণের ভয় আছে মৃতদেহ থেকেও। এই রোগে মৃত্যুর হারও আর পাঁচটা ভাইরাস ঘটিত রোগের থেকে বেশি।

যেহেতু এই রোগের কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই, প্রতিষেধক টিকা নেই তাই আতঙ্কও অনেক বেশি। আর তাই হু-র মুখপাত্র এরিক খাবাম্বি বলেছেন, ‘‌আমরা বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছি। তবে বাকি পৃথিবী এখনও পর্যন্ত ভাগ্যবান কারণ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের যে এলাকায় সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে সেটি প্রত্যন্ত এলাকা। ’‌

এই ভাইরাস প্রথম ধরা পড়েছিল ১৯৭৬ সালে। আফ্রিকার কঙ্গো ও সুদানে। সেবার প্রায় সাতশো লোক মারা গিয়েছিলেন ইবোলার ছোবলে। ভাইরাসটির মূল বাহক এক প্রজাতির ফল-ভক্ষক বাদুড়। তারা ভাইরাসটি বহন করে। তবে নিজেরা আক্রান্ত হয় না। ওই বাদুড় থেকে বিভিন্ন প্রাণীর দেহে রোগ সংক্রামিত হয়। কোনওভাবে আক্রান্ত প্রাণীদের মাংস খেয়ে ফেললে বা সংস্পর্শে এলেই ইবোলা ভাইরাস ঢুকে পড়ে মানবদেহে। তারপর সংক্রামিত মানুষের রক্ত বা দেহরস থেকে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে অন্য মানুষের দেহে।






মন্তব্য চালু নেই