মেইন ম্যেনু

আবাসনের নামে প্রতারণার জেরেই না.গঞ্জে ৫ খুন!

নারায়ণগঞ্জে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হত্যার ঘটনার রহস্য উদঘাটনে মাঠে নেমেছে পুলিশ।নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সাত খুনের পর এটাই সবচেয়ে ভয়াবহ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড।

এরই মধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।আটকদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, প্রতারণাই এক্ষেত্রে কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এর মূলে রয়েছে নিহত মোরশেদুল (২৫)।নাম প্রকাশ না করার শর্তে নারায়ণগঞ্জের এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, নিহত মোরশেদুল আবাসন ব্যবসার নামে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়।

তবে টাকার পরিপাণ কতো তা জানা যায়নি।প্রাথমিকভাবে এর পরিমাণ দুই কোটি টাকা বলে মনে করা হচ্ছে।

কথা অনুযায়ী প্লট বা ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দিতে না পারায় সে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গা-ঢাকা দিতে শুরু করে।

গত দুই বছর ধরে যে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল।কোথাও দুই মাস আবার কোথাও তিন মাস বাসা ভাড়া করে থাকছিল।পাওনাদারদের কারণে সে কোথাও বেশি দিন বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে পারত না।

তবে কিলিং মিশনে ঠিক কারা অংশ নেয় তা এখনো জানা যায়নি। এ ক্ষেত্রে কিলার ভাড়া করা হয়েছিল কিনা তাও জানা যায়নি।তবে সুরতহাল প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছেন, ঘাতকরা পেশাদার কেউ নয়।

শনিবার নারায়ণগঞ্জ শহরের ২ নম্বর বাবুরাইল এলাকার প্রবাসী ইসমাইলের পাঁচতলা বাড়ির একতলার পূর্ব পাশের ফ্ল্যাট থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হল- তাসলিমা বেগম (৪০), তার ছেলে শান্ত (১০), মেয়ে সুমাইয়া (৫), ভাই মোরশেদুল (২৫) ও তাসলিমার জা লামিয়া (২৫)।

তাদের মাথায় আঘাত ও গলায় কাপড় পেঁচানো ও রক্তের দাগ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, মাথায় আঘাত ও গলা কেটে তাদেরকে হত্যা করা হয়।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাকারিয়া বলেন, শনিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যার কোনো এক সময় এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।