মেইন ম্যেনু

আবুল খায়ের টোবাকোর ব্র্যান্ডরোল জালিয়াতি

সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আবুল খায়ের টোবাকোর বিরুদ্ধে নকল ব্র্যান্ডরোল ব্যবহার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আর এ জালিয়াতির মাধ্যমে কোম্পানিটি সরকারের বিপুল অংকের শুল্ক ও ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, আবুল খায়ের টোবাকো কোম্পানি লিমিটেড দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদিত সিগারেটের প্যাকেটে জাল ব্র্যান্ডরোল বা স্ট্যাম্প ব্যবহার করে আসছে। শুল্ক ও ভ্যাট ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এ জালিয়াতি করছে।

আর কোম্পানিটির এই জালিযাতির যাবতীয় তথ্য-প্রমাণ এনবিআরের তদন্তেও বেরিয়ে এসেছে। এরই মধ্যে সম্প্রতি এনবিআরের পক্ষ থেকে আবুল খায়ের টোবাকোকে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক পরিশোধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ সংক্রান্ত নির্দেশনা শুল্ক, আবগারী ও মূসক কমিশারেট কুমিল্লা কার্যালয়ে পাঠিয়েছে এনবিআর। এনবিআরের পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শুল্ক, আবগারী ও মূসক কমিশারেট কুমিল্লা কার্যালয়ের অধীনস্ত প্রতিষ্ঠান আবুল খায়ের টোবাকো। এ সিগারেট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ও সরবরাহ তদারকি করে সঠিকহারে রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১ এর ধারা ২৬(খ)-এর উপধারা (১) অনুযায়ী আদেশ জারি করে এনবিআর।

আদেশে আরো বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কার্যালয়কে নির্ধারতি মূল্যস্তর অনুযায়ী আসল স্ট্যাম্প ও ব্রান্ডরোল ব্যবহার করতে হবে। একই সঙ্গে কোম্পানিটি থেকে সঠিক হারে মূসক ও সম্পূরক শুল্ক দেয় তা যেন নিশ্চিত করা হয়। এজন্য আবুল খায়ের টোবাকোর প্রতিটি সিগারেটের প্যাকেটের প্রকৃতি, শলাকা সংখ্যা, খুচরা মূল্য, সম্পূরক শুল্ক ও মূসক হার, অপচয় প্রভৃতির ভিত্তিতে নির্ধারন করতে বলেছে এনবিআর। এ ছাড়া এনবিআর কোম্পানিটির জালিয়াতি ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট মূসক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সিগারেটের উৎপাদন থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ে বিতরণ পর্যন্ত পুরো কার্যক্রম তদারকি করতে নির্দেশ দিয়েছে।

এ বিষয়ে এনবিআরের মূসক বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আবুল খায়ের টোবাকো উৎপাদিত সিগারেটের প্যাকেটে নকল ব্রান্ডরোল ও স্ট্যাম্প ব্যবহার করে আসছে।

খুচরা বাজারে সরবরাহ করা প্যাকেটে ব্যবহার করা ব্র্যান্ডরোল ও স্ট্যাম্প যাচাই-বাচাই করে এনবিআর এর প্রমাণ পেয়েছে। তাই সরকারের রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করতে কোম্পানিটির বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে এনবিআর।



« (পূর্বের সংবাদ)