মেইন ম্যেনু

আমরা উদ্বিগ্ন তো ছিলামই: তুরিন আফরোজ

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর রিভিউয়ের রায় নিয়ে ভীষণভাবে উদ্বিগ্ন ছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তুরিন আফরোজ। তবে রায় প্রকাশের পর তার স্বস্তি ফিরে এসেছে।

আপিল বিভাগে জামায়াত নেতার রিভিউয়ের রায় খারিজ করে দেয়ার পর সুপ্রিমকোর্টে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন তুরিন আফরোজ। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমও রায়ের আগের দিন এই রায় নিয়ে তার উদ্বেগের কথা জানিয়েছিলেন। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তার মত তুরিন আফরোজেরও ভয় ছিল কাসেম আলীর বিপুল অর্থবিত্ত নিয়ে।

তুরিন আফরোজ বলেন, ‘কাসেম আলী বিপুল সম্পদের মালিক। তাকে বলা হয় জামায়াতের খাজাঞ্জি। দেশে বিদেশে কোটি কোটি ডলার ইনভেস্ট করা হয়েছে এই বিচার বন্ধ করার জন্য, বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য, ফাঁসি ঠেকানোর জন্য। সুতরাং আমরা এই মামলা নিয়ে উদ্বিগ্ন তো ছিলামই।’

তুরিন আফজোর বলেন, ‘এত আশঙ্কার পরও ন্যয়বিচার আমরা পেয়েছি, এ কারণে আমরা অত্যন্ত খুশি।’

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মীর কাসেম আলীর মামলা পরিচালনাকারী রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের একজন এই তুরিন আফরোজ। এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ভূমিকা নিয়ে আপিল বিভাগের উষ্মা প্রকাশের বিষয়েও সাংবাদিকরা জানতে চান তুরিন আফরোজের কাছে। তিনি বলেন, ‘এই মামলা পরিচালনা খুব সহজ কাজ ছিল না। এটা অসম্ভব চ্যালেঞ্জিং একটি মামলা ছিল। মামলাটিতে অভিযোগ ছিল নির্যাতনের। সেটা আমরা প্রমাণ করতে পেরেছি।’

যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসা একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির মনে করেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান দুর্বলতা হচ্ছে তারা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ এনেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী এই মামলায় ফৌজদারি অপরাধের বিচারে সাধারণ সাক্ষ আইন কার্যকর হবে না। তাহলে রাষ্ট্রপক্ষ কেন ওই পথে গেলো?